বিশিষ্ট চিকিৎসক, প্রাক্তন সাংসদ ও পশ্চিমবঙ্গ সংখ্যালঘু কমিশনের চেয়ারপার্সন ডাক্তার মমতাজ সংঘমিতা বৃহস্পতিবার (২৭ আগস্ট) রাতে প্রয়াত হন। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৮০। শুক্রবার (২৮ আগস্ট) পার্কসার্কাস তিন নম্বর গোবরা কবরস্হানে তার শেষকৃত্য সম্পন্ন হয়। বেশ কিছুদিন ধরে তিনি অসুস্হ ছিলেন। বৃহস্পতিবার চিকিৎসকদের সব চেষ্টা ব্যর্থ করে দিয়ে তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন।
শুক্রবার তার মরদেহ সকাল থেকে দশটা পর্যন্ত পার্কসার্কাস দরগা রোডের বাড়িতে রাখা হয়। অসংখ্য মানুষ তাকে শেষ শ্রদ্ধা জানান।
মমতাজ সংঘমিতা ছিলেন বামফ্রন্ট সরকারের প্রথম স্পিকার ও মন্ত্রিসভার গুরুত্বপূর্ণ সদস্য সৈয়দ মনসুর হাবিবুল্লাহ-র একমাত্র মেয়ে। তার বড় চাচা সৈয়দ শাহেদুল্লাহ ছিলেন অবিভক্ত কমিউনিস্ট পার্টির অবিভক্ত বর্ধমান জেলার প্রতিষ্ঠাতা সম্পাদক ও নন্দন পত্রিকারও প্রতিষ্ঠাতা সম্পাদক।
ডাক্তার মমতাজ সংঘমিতা কলকাতা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের অধ্যাপিকা ও স্ত্রী রোগ বিভাগের প্রধান। পরবর্তীতে তিনি বর্ধমান-দূর্গাপুর লোকসভার তৃণমূলের সাংসদ হন। আরও পরে তিনি পশ্চিমবঙ্গ সংখ্যালঘু কমিশনের চেয়ারপার্সন হন। তার স্বামী প্রয়াত নুরে আলম চৌধুরী তৃণমূল মন্ত্রিসভার সদস্য ছিলেন। তার এই প্রয়াণে শোকের ছায়া নেমে এসেছে।
সমাজসেবার নানা কাজে তিনি বিশেষ ভূমিকা পালন করেন। বামফ্রন্ট মন্ত্রিসভার আরেক গুরুত্বপূর্ণ সদস্য প্রয়াত মহবুব জাহেদী, বাংলাদেশের বিখ্যাত চলচ্চিত্র পরিচালক ও অভিনেতা হাসান ইমাম ও বিশিষ্ট গবেষক-লেখক-সম্পাদক বদরুদ্দিন উমর তাদের নিকট আত্মীয়। তার মৃত্যুতে একটি যুগের অবসান।
খুলনা গেজেট/এনএম

