মরক্কো থেকে স্পেনের ছিটমহল সেউতায় পৌঁছানোর সময় নিহত হয়েছেন ৭২ জন। রবিবার (২ আগস্ট) হালনাগাদকৃত এ তথ্য প্রকাশ করেছে সেউতার প্রশাসন। এর আগে ৬৭ জন নিহতের কথা জানানো হয়েছিল।
স্পেনের মূল ভূখণ্ড ও সেউতাকে আলাদা করেছে ভূমধ্যসাগরের জ্রিবাল্টার প্রণালি। ছিটমহলটি মরক্কোর সীমান্ত ঘেঁষা। সেখানে স্থল ও জল উভয়পথে যাতায়াত করা যায়। গত কয়েকদিনে জলপথে প্রায় ৬০ হাজার অভিবাসনপ্রত্যাশী মরক্কো থেকে সেউতায় যান।
স্পেনের সরকার ছিটমহলটিতে সেনা পাঠানোর পর অনেক অভিবাসী আবার মরক্কোতে ফিরতে শুরু করেছেন। বেসামরিক বাহিনীর সদস্যরাও বাসে করে অভিবাসীদের মরক্কো সীমান্তে পৌঁছে দিচ্ছেন। এখনও যারা সেউতায় আছেন, তারা পরিত্যক্ত এলাকাগুলোতে ঘোরাঘুরি করছেন। অনেককে ফুটপাতে শুয়ে ঘুমাতে দেখা গেছে।
রবিবার সেউতার একটি ফুটপাতে আজিজ দাবচ নামে ৪১ বছর বয়সী এক ব্যক্তির সঙ্গে বেশ কয়েকজন কিশোরকে দেখা যায়। আজিজ বলেন, এখানকার সবাই স্পেনের মূল ভূখণ্ডে যেতে চায়।
নতুন করে অভিবাসীদের ঢল ঠেকাতে সেউতায় স্পেনের সেনারা সাঁজোয়া যানসহ অবস্থান নিয়েছেন। বেশ কয়েকজন অভিবাসীকে আটক করতে দেখা গেছে। অন্যদিকে ভূমধ্যসাগরে ছোট ছোট নৌকায় করে টহল দিচ্ছে উদ্ধারকারী দল। সেখানে ১ হাজার ৬৪০ ফুট দীর্ঘ ভাসমান ব্যারিয়ার স্থাপন করা হয়েছে।
এদিকে ছিটমহলে বিশাল সংখ্যক অভিবাসী প্রবেশের ঘটনা স্পেনের জন্য কূটনৈতিক সংকট তৈরি করেছে। ইউরোপীয় ইউনিয়নের নেতারা এখন দেশটির অভিবাসন নীতির সমালোচনা শুরু করেছেন।
খুলনা গেজেট/এএজে

