একমাত্র টেস্টে হেরে সাদা বলের সিরিজের আগে মানসিকভাবে পিছিয়ে ছিল বাংলাদেশ। তবে ফরম্যাট বদলের সঙ্গে বদলে গেছে টাইগারদের পারফরম্যান্স। ঘুরে দাঁড়িয়ে প্রথম ওয়ানডেতে দুর্দান্ত শুরু বাংলাদেশের। বিশেষ করে পেসাররা দারুণ বোলিং করেছেন। হারারেতে রীতিমতো আগুন ঝরিয়েছেন তাসকিন আহমেদ-নাহিদ রানারা। নাহিদ একাই শিকার করেছেন ৬ উইকেট। তাদের বোলিং তোপে দেড়শর আগেই গুটিয়ে গেছে জিম্বাবুয়ে।
হারারেতে টস হেরে আগে ব্যাট করতে নেমে ৩৬ ওভার ৪ বলে সবকটি উইকেট হারিয়ে ১৪১ রান করে জিম্বাবুয়ে। দলের হয়ে সর্বোচ্চ ৩৩ রান করেন নিউম্যান নিয়ামুরি। বাংলাদেশের হয়ে ২১ রানে ৬ উইকেট শিকার করেছেন নাহিদ রানা।
ব্যাটিংয়ে শুরুটা খুব একটা খারাপ হয়নি জিম্বাবুয়ের। দুই ওপেনার বেন কারান ও ব্রায়ান বেনেটের জুটিতে ভালোই এগোচ্ছিল জিম্বাবুয়ে। তবে মেহেদী হাসান মিরাজের দুর্দান্ত থ্রোতে রান আউট হয়ে ফেরেন কারান। তাতে ভাঙে ৩৬ রানের উদ্বোধনী জুটি। রান আউটের পরের বলেই তাসকিন আহমেদের বলে ক্যাচ দিয়ে ফেরেন বেনেট। ২৪ বলে ১৭ রান করা এই ওপেনারের বিদায়ের পর প্রথম বলেই ক্রেইগ আরভিনকে বোল্ড করে জিম্বাবুয়েকে আরও চাপে ফেলেন তাসকিন। এরপর নাহিদের সামনে রীতিমতো অসহায় ছিল রোডেশিয়ানরা। তার গতি আর বাউন্সে ব্যর্থ হয়েছেন সিকান্দার রাজা, ওয়েসলি মাধেভেরে, ক্লাইভ মাদানধে ও ইনোসেন্ট কাইয়ারা। রাজা ১২ বলে ১ রান করে উইকেটকিপার নুরুল হাসানের হাতে ক্যাচ দেন। মাধেভেরে রানের খাতা খোলার আগেই স্লিপে ক্যাচ দেন নাজমুল হোসেন শান্তকে। মাদানধে ফেরেন মাত্র ২ রান করে।
অবশ্য এক প্রান্ত আগলে রাখার চেষ্টা করছিলেন ইনোসেন্ট কাইয়া। কিন্তু ৩৯ বলে ২৬ রান করা এই ব্যাটারও শেষ পর্যন্ত নাহিদের শিকার হন। তখন ৭০ রানেই ৮ উইকেট হারিয়ে একশর আগেই অলআউটের শঙ্কায় পড়ে জিম্বাবুয়ে। তবে সেখান থেকে ৬৩ রানের জুটি গড়েন রিচার্ড এনগারাভা ও নিউম্যান। ২৭ রান করা এনগারাভাকে বোল্ড করে এই জুটিও ভেঙেছেন নাহিদ।
এটি ছিল ইনিংসে তার ষষ্ঠ উইকেট। যা তার ক্যারিয়ার সেরা বোলিংও। ১৩ ম্যাচের ওয়ানডে ক্যারিয়ারে এটি তার তৃতীয় পাঁচ উইকেট শিকার। বাংলাদেশের পেসারদের মধ্যে ওয়ানডেতে সর্বাধিক ফাইফারের তালিকায় এখন তার ওপরে আছেন শুধু মোস্তাফিজুর রহমান।
খুলনা গেজেট/এএজে

