শিক্ষক নিয়োগের প্রস্তুতি চলছে, অনুমোদনের অপেক্ষায় এনটিআরসিএ

গেজেট ডেস্ক

বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে নবম এন্ট্রি লেভেলের শিক্ষক নিয়োগের প্রস্তুতি চলছে বলে জানিয়েছে বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষ (এনটিআরসিএ)। তবে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের প্রশাসনিক অনুমোদন না পাওয়া পর্যন্ত নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হবে না। একইসঙ্গে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের আগ পর্যন্ত শূন্যপদের সংখ্যা নিয়েও কোনো তথ্য জানাতে রাজি হয়নি সংস্থাটি।

বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের সময়ই বিষয়ভিত্তিক শূন্যপদের পূর্ণাঙ্গ তথ্য প্রকাশ করা হবে বলে জানিয়েছেন এনটিআরসিএর সচিব। রবিবার (৫ জুলাই) এনটিআরসিএর সচিব এসব কথা বলেন।

সাম্প্রতিক সময়ে বিভিন্ন গণমাধ্যমে নবম শিক্ষক নিয়োগে ৬৯ হাজার ৫৭৭টি শূন্যপদে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের খবর প্রকাশিত হয়েছে। এ বিষয়ে প্রশ্ন করা হলে এনটিআরসিএ সচিব বলেন, সেটা আমরা যখন বিজ্ঞপ্তি দেব, তখন জানতে পারবেন। এর আগে বিস্তারিত জানানো সম্ভব নয়।

বিভিন্ন সংবাদে ‘এনটিআরসিএ সূত্র’ উল্লেখ করে ৬৯ হাজার ৫৭৭টি শূন্যপদের তথ্য প্রকাশের বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, আপনারা তো জানেন, অনেক সময় “সূত্র” বলা হয়। আমাদের পক্ষ থেকে এ ধরনের কোনো তথ্য আনুষ্ঠানিকভাবে দেওয়া হয়নি।

বিজ্ঞপ্তি চলতি সপ্তাহের মধ্যে প্রকাশ হতে পারে কি না— এমন প্রশ্নের জবাবে সচিব বলেন, এটা এখনই বলতে পারছি না। আমরা বিষয়টি নিয়ে কাজ করছি। শিক্ষা মন্ত্রণালয় অনুমোদন করলে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হবে।

এনটিআরসিএর তথ্য অনুযায়ী, গত ৯ ফেব্রুয়ারি অনলাইনে বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষকদের শূন্য পদের চাহিদা আহ্বান করা হয়, যা ‘ই-রিকুইজিশন’ নামে পরিচিত। কয়েক দফা সময় বাড়ানোর পর গত ১৫ মার্চ এ কার্যক্রম শেষ হয়। একই সময়ে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোর তথ্য হালনাগাদের (ই-রেজিস্ট্রেশন) কার্যক্রমও সম্পন্ন হয়েছে।

বর্তমানে দেশে বেসরকারি স্কুল, কলেজ, মাদ্রাসা ও কারিগরি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সংখ্যা ৩৪ হাজার ১২৯টি। এসব প্রতিষ্ঠানে প্রায় ৫ লাখ ৯৮ হাজার ৯৯৪ জন শিক্ষক এবং ২ লাখ ৬ হাজার ৬৯৯ জন কর্মচারী কর্মরত রয়েছেন।

এর আগে সর্বশেষ গত ৫ জানুয়ারি নিবন্ধন সনদের ভিত্তিতে সপ্তম গণবিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়। ওই বিজ্ঞপ্তিতে ৬৭ হাজার ৮৭টি শূন্যপদে আবেদন আহ্বান করা হয়েছিল। পরে বিভিন্ন ধাপে প্রার্থীদের নিয়োগের জন্য সুপারিশ করা হয়। পাশাপাশি প্রতিষ্ঠান প্রধান নিয়োগের জন্য অষ্টম গণবিজ্ঞপ্তিতে ১২ হাজার ৯৫১টি পদের কার্যক্রমও চলমান রয়েছে।

প্রসঙ্গত, ২০০৫ সাল থেকে এনটিআরসিএ শিক্ষক নিবন্ধন সনদ প্রদান করে আসছে। আর ২০১৫ সালের ৩০ ডিসেম্বর থেকে বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শিক্ষক নিয়োগের জন্য প্রার্থীদের সুপারিশ করার দায়িত্ব পায় সংস্থাটি। এরপর সাতটি গণবিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এখন পর্যন্ত ১ লাখ ৮৬ হাজার ২৩৮ জন শিক্ষককে নিয়োগের জন্য চূড়ান্ত সুপারিশ করেছে এনটিআরসিএ।

খুলনা গেজেট/রুএ




আরও সংবাদ

খুলনা গেজেটের app পেতে ক্লিক করুন