এবারের বিশ্বকাপের গল্প শুধু মেসি, নেইমার, রোনালদো, এমবাপ্পে বা ভিনিসিয়ুসদের ঘিরেই নয়। ফুটবল ইতিহাসের পাতায় প্রথমবারের মতো সবচেয়ে বেশি মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ দেশের উপস্থিতিও তৈরি করেছে নতুন আলোচনার জন্ম! মধ্যপ্রাচ্য থেকে আফ্রিকা, মধ্য এশিয়া থেকে উত্তর আফ্রিকা, মুসলিম বিশ্বের এক অভূতপূর্ব ও শক্তিশালী প্রতিনিধিত্ব দেখা যাবে এইবারের ফুটবল আসরে।
২০২২ কাতার বিশ্বকাপে যেখানে মুসলিম দেশের সংখ্যা ছিল মাত্র ৬টি, সেখানে এবার তা এক লাফে পৌঁছেছে ১৪টিতে! অর্থাৎ, ৪৮ দলের এই মেগা আসরের প্রায় ৩০ শতাংশই মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ দেশ। মহাদেশভিত্তিক হিসাবে, সবচেয়ে বেশি প্রতিনিধিত্ব এসেছে এশিয়া ও আফ্রিকা থেকে।
এশিয়া থেকে মাঠ কাঁপাতে আসছে সৌদি আরব, কাতার, ইরান ও ইরাক। তাদের সঙ্গে প্রথমবারের মতো বিশ্বকাপের আলোয় পা রাখতে যাচ্ছে জর্ডান ও উজবেকিস্তান।
আফ্রিকা থেকে নাইজেরিয়া, সেনেগাল, আলজেরিয়া, তিউনিসিয়া, মিশর এবং ২০২২ বিশ্বকাপের সেমিফাইনালিস্ট মরক্কো। অন্যদিকে ইউরোপ থেকে প্রতিনিধিত্ব করছে তুরস্ক এবং বসনিয়া ও হার্জেগোভিনা। তবে উত্তর ও দক্ষিণ আমেরিকা অঞ্চল থেকে এবার কোনো মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ দেশ জায়গা করে নিতে পারেনি।
এবারের বিশ্বকাপে রয়েছে কয়েকটি দারুণ প্রত্যাবর্তনের গল্পও। প্রায় ৪০ বছর পর আবার বিশ্বকাপে খেলতে যাচ্ছে ইরাক আর ২৪ বছর পর ফিরছে তুরস্ক। সব মিলিয়ে, ২০২৬ বিশ্বকাপে মুসলিম দেশগুলোর এই রেকর্ড উপস্থিতি শুধু সংখ্যার হিসাব নয়; এটি বিশ্ব ফুটবলে মুসলিম বিশ্বের ক্রমবর্ধমান শক্তি, বিনিয়োগ এবং প্রতিযোগিতার হবে অনন্য নজির।
খুলনা গেজেট/এমএম

