বিশ্ব ফুটবলের মহারণ শুরু হতে আর মাত্র ৬ দিন বাকি। গ্লোবাল ডিকশনারিতে সবচেয়ে চেনা শব্দগুলোর তালিকা করলে ওপরের দিকেই থাকবে ‘ফুটবল’। আফ্রিকার বিদ্যুৎহীন, অনুন্নত গ্রাম থেকে শুরু করে ফার্স্ট ওয়ার্ল্ডের যে কোনো আধুনিক মেগাসিটি- ভৌগোলিক ও সামাজিক সব ব্যবধান এক নিমিষেই মুছে দিতে পারে এই একটি গোল চামড়ার বল।
সময়ের পরিক্রমায় আবারও আর একটি ফুটবল বিশ্বকাপ আমাদের ঘরের দুয়ারে দাড়িয়ে। ফুটবল বিশ্বকাপ এর জ্বরে সারা পৃথিবীর মত কাঁপছে বাংলাদেশও। সারা বছর ক্রিকেটের ভিড়ে ফুটবল আড়ালে থাকলেও ফুটবল বিশ্বকাপ এলে বাঙ্গালীর ফুটবল প্রেম কিংবা উন্মাদনা চোখে পরার মত। প্রতিটি পাড়ায় মহল্লায় ইতিমধ্যেই তাদের পছন্দের দল এর সমর্থক গোষ্ঠী গড়ে উঠেছে। নিজের পছন্দের দলের গুণগান করার পাশাপাশি প্রতিপক্ষ দলের দুর্নাম করায় ব্যস্ত সবাই। বিশেষ করে আর্জেন্টিনা আর ব্রাজিল সমর্থকদের মধ্যকার শীতল যুদ্ধ উপভোগ্য। আর মাত্র কয়েকদিন পরেই শুরু হতে যাচ্ছে বিশ্বকাপের ২০২৬ সালের জমজমাট আসর। বিশ্বকাপের পূর্বের আসরগুলোতে জড়িয়ে আছে হাসি- কান্না , সাফল্য – ব্যর্থতার মুহূর্ত। আসুন ফিরে দেখি বিশ্বকাপ ফুটবলের কিছু বিতর্কিত, কলঙ্কিত এবং স্মরণীয় মুহূর্ত।
গিওর্গি হ্যাজি: রোমানিয়া বনাম কলম্বিয়া, ১৯৯৪
১৯৯৪ বিশ্বকাপে নিজেদের ফুটবলে সেরা সময় পার করেছিল রোমানিয়া। সেই বিশ্বকাপের কোয়ার্টার ফাইনাল পর্যন্ত যাওয়ার সৌভাগ্য হয়েছিল তাদের। গুরুত্বপূর্ণ অবস্থানে যাওয়ার আগে গ্রুপপর্বে চোখ ধাঁধানো গোল উপহার দিয়েছিলেন রোমানিয়ার সাবেক তারকা ফরোয়ার্ড গিওর্গি হ্যাজি।
কলম্বিয়ার বিপক্ষে ম্যাচের ৩৫তম মিনিটে করা তার গোলটিকে বিশ্বকাপের ইতিহাসে অন্যতম সেরা গোল হিসেবে ধরে নেয়াই যায়।
বাম দিক থেকে কলম্বিয়ার অর্ধে উড়ে আসা বলটি রিসিভ করেন হ্যাজি। কলম্বিয়ান ডিফেন্ডার লুই হেরেরার সামান্য বেখেয়ালি থাকার সুযোগ নিয়ে বল পেয়েই তিনি সোজা ঢুকে পড়েন ৩৫ মিটারের ভেতর। সেখান থেকে দূরপাল্লার অবিশ্বাস্য শটে পরাস্ত করেন কলম্বিয়ার গোলরক্ষক অস্কার কর্দোভাকে। বল জালে ঢোকার পর রীতিমতো বোকা বনে তাকিয়ে ছিলেন কর্দোভা। নিজের চোখকেই বিশ্বাস করতে পারছিলেন না- এভাবেও গোল করা যায়।
খুলনা গেজেট/এএজে

