বৃহস্পতিবার । ২৮শে মে, ২০২৬ । ১৪ই জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩

বাবা-মার কবর জিয়ারত করলেন প্রধানমন্ত্রী

গেজেট প্রতিবেদন

পবিত্র ঈদুল আজহার নামাজ আদায়ের পর বাবা শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান, মা সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া এবং ছোট ভাই আরাফাত রহমান কোকোর কবর জিয়ারত করেছেন বিএনপি চেয়ারপারসন ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

বৃহস্পতিবার (২৮ মে) সকালে জাতীয় ঈদগাহে ঈদের নামাজ শেষে সকাল ৮টা ৩৮ মিনিটে শেরেবাংলা নগরে বাবা-মায়ের সমাধিস্থলে যান বিএনপি চেয়ারপারসন তারেক রহমান ও তার সহধর্মিণী জুবাইদা রহমান।

প্রথমে তারা একান্তে কবর জিয়ারত করেন। পরে ফাতেহা পাঠ ও মোনাজাতে অংশ নেন।

এরপর বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান দলের নেতাদের নিয়ে বাবা-মায়ের কবরে ফাতেহা পাঠ করেন এবং বিশেষ মোনাজাতে অংশ নেন। পরে নেতাদের সঙ্গে নিয়ে কবরে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন তিনি।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমদ, সমাজকল্যাণ মন্ত্রী এজেডএম জাহিদ হোসেন, বিএনপির জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী, প্রতিরক্ষা উপদেষ্টা একেএম শামসুল ইসলাম, স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম, ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের প্রশাসক শফিকুল ইসলাম খান এবং সংসদ সদস্য এসএম জাহাঙ্গীর। পরে বিএনপি চেয়ারপারসন তারেক রহমান বনানীতে ছোট ভাই আরাফাত রহমান কোকোর কবরে যান। সেখানেও তিনি ফাতেহা পাঠ ও মোনাজাত করেন।

এ সময় তার সঙ্গে ছিলেন তার সহধর্মিণী জুবাইদা রহমান, সালাহউদ্দিন আহমদ, এজেডএম জাহিদ হোসেন এবং মীর শাহে আলম।

এর আগে সকাল সাড়ে সাতটায় রাজধানীর হাইকোর্ট সংলগ্ন জাতীয় ঈদগাহ ময়দানে পবিত্র ঈদুল আজহার প্রধান জামাতে মুসল্লিদের সঙ্গে ঈদের নামাজ আদায় করেন তিনি। ঈদের এই প্রধান জামাতে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনসহ মন্ত্রিপরিষদের সদস্য, প্রতিমন্ত্রী, সংসদ সদস্য, সুপ্রিম কোর্ট ও হাইকোর্ট বিভাগের বিচারপতি, ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের প্রশাসক আবদুস সালাম, বিভিন্ন রাজনৈতিক নেতা, সরকারের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, বিভিন্ন মুসলিম দেশের কূটনীতিকসহ নানা শ্রেণি-পেশার মানুষ অংশ নেন।

নামাজের ইমামতি করেন বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদের খতিব মুফতি মোহাম্মদ আবদুল মালেক। দুই রাকাত ওয়াজিব নামাজ আদায়ের পর খুৎবা পাঠ করা হয়।

ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) ব্যবস্থাপনায় জাতীয় ঈদগাহ মাঠে ঈদের প্রধান জামাতের জন্য আগে থেকেই ব্যাপক প্রস্তুতি নেওয়া হয়। নারীদের জন্য আলাদা প্রবেশপথ ও নামাজের পৃথক ব্যবস্থা রাখা হয়। একই সঙ্গে অতি গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি (ভিআইপি) অংশগ্রহণকারীদের জন্যও বিশেষ ব্যবস্থা ছিল।

এ ছাড়া মুসল্লিদের অজুর সুবিধা, পর্যাপ্ত ওজুখানা, মেডিকেল টিমসহ প্রয়োজনীয় সব ধরনের সেবা নিশ্চিত করা হয়। আয়োজকদের তথ্য অনুযায়ী, প্রায় ৩৫ হাজার মুসল্লির নামাজ আদায়ের ব্যবস্থা রাখা হয়, যার মধ্যে সাড়ে তিন হাজার নারী মুসল্লির জন্য আলাদা ব্যবস্থা ছিল।

খুলনা গেজেট/এএজে




আরও সংবাদ

খুলনা গেজেটের app পেতে ক্লিক করুন