গোপালগঞ্জে পৃথক তিনটি স্থানে এক গৃহবধূসহ তিনজন আত্মহত্যা করেছেন। শুক্রবার (২২ মে) সকাল থেকে বিকেল পর্যন্ত গোপালগঞ্জ সদর উপজেলার গোবরা, জালালাবাদ ইউনিয়নের ছুটফা এবং মুকসুদপুর উপজেলার গোবিন্দপুর ইউনিয়নের দাশেরহাট গ্রামে এসব ঘটনা ঘটে।
মুকসুদপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আব্দুল্লাহ আল মামুন ও গোপালগঞ্জ সদর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. আনিসুর রহমান বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
নিহতরা হলেন— গোপালগঞ্জ সদর উপজেলার ঘোষেরচর দক্ষিণপাড়া এলাকার আলী হোসেনের স্ত্রী হুমায়রা বেগম (তিনি গোবরা লঞ্চঘাট এলাকায় বাবার বাড়িতে ছিলেন), একই উপজেলার জালালাবাদ ইউনিয়নের ছুটফা গ্রামের কলেজছাত্র নয়ন মোল্লা এবং মুকসুদপুর উপজেলার গোবিন্দপুর ইউনিয়নের দাশেরহাট গ্রামের অলিয়ার মোল্লার ছেলে সজীব মোল্লা।
মুকসুদপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আব্দুল্লাহ আল মামুন জানান, মুকসুদপুর উপজেলার গোবিন্দপুর ইউনিয়নের দাশেরহাট গ্রামের অলিয়ার মোল্লার ছেলে সজীব মোল্লার সঙ্গে পারিবারিক বিষয় নিয়ে স্ত্রীর কলহ চলে আসছিল। এর জের ধরে স্ত্রীর ওপর অভিমান করে শ্বশুরবাড়ি বসিরহাট এলাকায় গিয়ে গলায় ফাঁস দিয়ে তিনি আত্মহত্যা করেন। পরে পরিবারের লোকজন তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে আসে।
অপরদিকে, গোপালগঞ্জ সদর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. আনিসুর রহমান জানান, গোপালগঞ্জ সদর উপজেলার গোবরা লঞ্চঘাট এলাকায় স্বামীর সঙ্গে অভিমান করে গৃহবধূ হুমায়রা বেগম গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেছেন। পারিবারিক কলহের জেরে বাবার বাড়িতে এসে ওই গৃহবধূ আত্মহত্যা করেন বলে স্বজনরা জানিয়েছেন। তার মরদেহ গোপালগঞ্জ সদর হাসপাতালের মর্গে প্রেরণ করা হয়েছে।
অন্য ঘটনাটিতে, সদর উপজেলার জালালাবাদ ইউনিয়নের ছুটফা গ্রামের একটি বাগানের গাব গাছ থেকে কলেজছাত্র নয়ন মোল্লার ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।
পুলিশ কর্মকর্তারা জানান, তিনজনের মরদেহ উদ্ধার করে গোপালগঞ্জ ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতাল মর্গে প্রেরণ করা হয়েছে। এসব ঘটনায় সংশ্লিষ্ট থানায় অপমৃত্যুর মামলা দায়ের করা হয়েছে।
খুলনা গেজেট/এএজে

