শনিবার । ২১শে মার্চ, ২০২৬ । ৭ই চৈত্র, ১৪৩২

এনসিপির দুই নেতাকে শোকজ

গেজেট প্রতিবেদন

আর্থিক অনিয়মের অভিযোগে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) কুষ্টিয়া জেলা ও কুমারখালী উপজেলা শাখার দুই নেতাকে কারণ দর্শানোর (শোকজ) নোটিশ দেয়া হয়েছে। শুক্রবার (২০ মার্চ) রাতে দলটির জেলার শাখার প্রধান সমন্বয়কারী জান্নাতুল ফেরদৌস টনি সাক্ষরিত দলীয় প্যাডে তাদেরকে শোকজ করা হয়।

জান্নাতুল ফেরদৌস টনি বলেন, এনসিপির কুষ্টিয়া জেলা শাখার জ্যেষ্ঠ যুগ্ম সমন্বয়কারী ইবাদত আলী ও কুমারখালী উপজেলা শাখার প্রধান সমন্বয়কারী হেলাল উদ্দিনকে এই নোটিশ দেয়া হয়। তাদেরকে আগামী সাত কর্মদিবসের মধ্যে লিখিতভাবে নোটিশের জবাব দেয়ার নির্দেশ দেয়া হয়েছে।

নোটিশে ওই দুই নেতার বিরুদ্ধে সরকারি বরাদ্দের চালের অর্থ আত্মসাৎ এবং নির্বাচনি সময়ে দলীয় নীতিমালা লঙ্ঘন করে অন্য রাজনৈতিক দলের কাছ থেকে আর্থিক সুবিধা গ্রহণের অভিযোগ উল্লেখ করা হয়।

তবে এই অভিযোগ অস্বীকার করেন কুমারখালী উপজেলার প্রধান সমন্বয়কারী হেলাল উদ্দিন। তিনি বলেন, ‘দুই টন চাল বরাদ্দ পেয়েছিলাম। তা ৭১ হাজার টাকা বিক্রি করা হয়। সেই টাকার ২৯ হাজার টাকার শাড়ি- লুঙ্গি কেনা হয়েছিল। অন্যান্য নেতাকর্মীদের সম্মতিক্রমে ৫ হাজার টাকা দৌলতপুরের ইফতার পার্টিতে দেয়া হয়েছে। আর অবশিষ্ট ৩৭ হাজার টাকা জেলার প্রধান সমন্বয়কারী টনি, যুগ্ম সমন্বয়কারী তাসের, কুমারখালী যুগ্ম সমন্বয়কারী আলীসহ জেলার অঙ্গ সংগঠনের নেতাকর্মীরা আমার কাছ থেকে নিয়ে নিয়েছে। আমি কোনো অনিয়ম করিনি।’

তিনি বলেন, দলের কিছু অসাধু নেতারা ব্যক্তিগত স্বার্থ হাসিল করতে ব্যর্থ হওয়ায় তাকে ষড়যন্ত্র করে দল থেকে সরানোর চেষ্টা করছে। শোকজের উপযুক্ত জবাব দেয়া হবে।

জেলা শাখার প্রধান সমন্বয়কারী বলেন, ‘বিভিন্ন মাধ্যমে ওই দুই নেতার বিরুদ্ধে অভিযোগ এসেছে। সঠিক হিসাব নিকাষের জন্য তাদের শোকজ করা হয়েছে।’

জান্নাতুল ফেরদৌস টনি বলেন, ‘হেলাল সাহেব নিজেই প্রকল্পের পিআইসি। শাড়ি- লুঙ্গি তিনি (হেলাল) নিজেই কিনেছেন। আমাকে নয়, আমার উপস্থিতে কুমারখালীর নেতাকর্মী।

খুলনা গেজেট/এএজে




আরও সংবাদ

খুলনা গেজেটের app পেতে ক্লিক করুন