মালয়েশিয়ায় পালিত হয়েছে মহান শহিদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস।
দিনটি ঘিরে কুয়ালালামপুরে বাংলাদেশ হাইকমিশনের আয়োজনে শহিদ মিনারে পুষ্পস্তবক অর্পণ, আলোচনা সভা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে ভাষা শহিদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানানো হয়। প্রবাসে জন্ম নেয়া নতুন প্রজন্মের কাছে একুশের ইতিহাস তুলে ধরার তাগিদ দেন অনুষ্ঠানে আগত অতিথিরা।
১৯৯৯ সালে ইউনেস্কো ২১ ফেব্রুয়ারিকে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবে স্বীকৃতি দেয়ার পর দিনটি বিশ্বব্যাপী মর্যাদা লাভ করে। প্রবাসে থাকা বাংলাদেশিরাও এ দিনে বিনম্র শ্রদ্ধায় স্মরণ করেন জাতির শ্রেষ্ঠ সন্তানদের।
কুয়ালালামপুরে বাংলাদেশ হাইকমিশন প্রাঙ্গণে নির্মিত অস্থায়ী শহিদ মিনারে পুষ্পস্তবক অর্পণের মধ্য দিয়ে ভাষা শহিদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করেন হাইকমিশনার, কর্মকর্তা-কর্মচারী ও প্রবাসী বাংলাদেশিরা।
প্রবাসী বাংলাদেশিরা জানান, নতুন প্রজন্ম দিন দিন বাংলা ভাষা থেকে দূরে সরে যাচ্ছে। আর ’৫২ বা ’৭১ না দেখলেও তাদের চেষ্টা নতুন প্রজন্মের কাছে ইতিহাস তুলে ধরার।
পরে হাইকমিশন মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত হয় আলোচনা সভা। এসময় হাইকমিশনার মনজুরুল করিম খান চৌধুরি তার বক্তব্যে বলেছেন, ভাষার মর্যাদা ও অধিকার আদায়ে সবার আগে বাংলাদেশিরাই রক্ত দিয়েছে।
তিনি বলেন, ‘একুশের অধিকারের চেতনার হাত ধরেই এসেছে ঊনসত্তর, একাত্তর হয়ে আমরা স্বাধীন দেশ পেয়েছি।’
অনুষ্ঠানে আবৃত্তি, দেশাত্মবোধক গানের পরিবেশনা ছিল বিশেষ আকর্ষণ। বাংলাদেশের বাইরে জন্ম নেয়া ও বেড়ে ওঠা নতুন প্রজন্মের কাছে একুশের ইতিহাস তুলে ধরার মধ্য দিয়ে ভাষা আন্দোলনের চেতনা ছড়িয়ে দেয়ার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন প্রবাসীরা।
খুলনা গেজেট/এমএনএস

