ছাত্রনেতা, ভাষা সংগ্রামী শিক্ষক ও আইনজীবী হিসাবে সমাজে তার পরিচিতি। তার পিতার নাম আপ্তাব উদ্দিন মালিক, মাতার নাম সবুরননেছা বেগম। ১৯৩৪ সালের ৫ এপ্রিল খুলনা রূপসা থানার বাঁধাল গ্রামে জন্ম নেন। ১৯৫১ সালে সেন্ট যোসেফ হাইস্কুল থেকে ম্যাট্রিক, ১৯৫৩ সালে এল একাডেমি থেকে উচ্চ মাধ্যমিক ১৯৫৫ সালে স্নাতক ডিগ্রি, ১৯৬০ সালে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় থেকে এম. এ ও আইন পাশ করেন। তিনি ছাত্র ইউনিয়নের নীতি আদর্শে বিশ্বাসী ছিলেন।
১৯৫৩ সালে ছাত্র ইউনিয়নের মনোনয়নে বিএল একাডেমি ছাত্র সংসদ নির্বাচনে সাধারণ সম্পাদক নিব্যাচিত হন। কর্মজীবনের শুরুতেই আইন পেশায় সম্পৃক্ত হন। ১৯৭৩ সাল থেকে ১৯৮১ সাল পর্যন্ত দৌলতপুর দিবা নৈশ কলেজ, ১৯৮৩ সাল থেকে ১৯৯৪ সাল পর্যন্ত বেলফুলিয়া বঙ্গবন্ধু কলেজের অধ্যক্ষ ছিলেন। ভাষা আন্দোলনে সক্রিয় অংশগ্রহণ করেন। ১৯৫২ সালের ২১, ২৩ ও ২৫ ফেব্রুয়ারি খুলনা হরতাল সফল করতে অগ্রণী ভূমিকা পালন করেন।
ভাষা আন্দোলন চলাকালে মিউনিসিপ্যাল পার্কে এক জনসভায় মাতৃভাষা নামে প্রবন্ধ পাঠ করেন। প্রবন্ধটি মাসিক সবুজপত্রে প্রকাশিত হয়। ১৯৫৩ সালে বিএল অ্যাকাডেমিতে শহিদ মিনার স্থাপনে ভূমিকা রাখেন। ছাত্রজীবন শেষে তিনি ন্যাপে (ভাসানী) যোগ দেন। খুলনা জেলা ন্যাপের সাধারণ সম্পাদক ছিলেন। ১৯৬২ সালের শরীফ কমিশন বিরোধী ছাত্র আন্দোলন ও ৬৯ এর গণ-অভ্যুত্থানে অংশ নেন। ১৯৫১ সালে নিজ গ্রামে জেবিএম রাইজিং অ্যাসোসিয়েশন ও ১৯৬৪ সালে জেবিএম উচ্চ বিদ্যালয় প্রতিষ্ঠাতাদের মধ্যে অন্যতম। ১৯৯১ সালের ২৮ মে ইন্তেকাল করেন।
খুলনা গেজেট/এনএম

