ফুলতলায় বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে এক শিক্ষার্থীকে ধর্ষণের ভিডিও ধারণ করার অভিযোগে ধর্ষণ মামলা দায়ের হয়েছে স্কুল শিক্ষক মেহেদী হাসান সবুজ (৩৮) এর বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় ফুলতলা থানায় সোমবার (১৬ ফেব্রুয়ারি) রাতে মামলা দায়ের হয় এবং রাতেই অভিযুক্ত শিক্ষককে গ্রেপ্তার করে ফুলতলা থানা পুলিশ।
আসামী মেহেদী দিঘলিয়া উপজেলার পানিগাতি গ্রামের আমির আলির পুত্র ও ফুলতলা সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক।
এজাহার সূত্রে জানা যায়, ফুলতলার আলকা গ্রামের আশিকুজ্জামান মোল্যার কন্যাকে (১৬) ফুলতলা সরকারি বালিকা বিদ্যালয়ে লম্পট শিক্ষক মেহেদী হাসান সবুজ বিদ্যালয়ে পড়াকালিন সময়ে বিভিন্নভাবে কুপ্রস্তাব দিয়ে আসছিল। এক পর্যায়ে ওই শিক্ষক কৌশল অবলম্বন করে ওই শিক্ষার্থীর সাথে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে তোলে।
বিষয়টি জানতে পেরে শিক্ষার্থীর মাতা মারুফা ইয়াসমিন স্কুলের প্রধান শিক্ষক ও সবুজের বাড়ির লোকজনকে অবগত করেন। এতে সবুজ ক্ষীপ্ত হয়ে আমার স্বামীকে পারিবারিক ও সামাজিকভাবে হেয় করার উদ্দেশ্যে ২০২৪ সালের ৪ এপ্রিল ও একই সালের ১১ জুন দুটি পার্সেলে কয়েকটি চিঠি ও সিগারেট পাঠায়।
বিষয়টি দৌলতপুর সুন্দরবন কুরিয়ার সার্ভিসের সিটিটিভি ফুটেজ দেখে তাকে সনাক্ত করা হয়।
এরপরও সুবজ বিভিন্ন সময় ফুসলিয়ে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে ১৩ জানুয়ারি বাড়িতে একা পেয়ে জোরপূর্বক ধর্ষণ এবং গোপনে ভিডিও ধারণ করে রাখে।
পরবর্তীতে উক্ত ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে দেয়ার হুমকি ও ভয়ভীতি দেখিয়ে একাধিকবার ধর্ষণ করে। এ ঘটনায় শিক্ষার্থীর মাতা মারুফা ইয়াসমিন বাদী হয়ে ফুলতলা থানায় পর্নোগ্রাফি নিয়ন্ত্রণ আইন ও নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে ধর্ষণ মামলা দায়ের করেন।
খুলনা গেজেট/এমএনএস

