ভালোবাসা দিবস

তরুণ-তরুণীদের পদচারণায় মুখরিত ফুলের বাজারসহ বিনোদন কেন্দ্রগুলো

নিজস্ব প্রতি‌বেদক

বিশ্ব ভালোবাসা দিবস উপলক্ষে গতকাল শনিবার নগরীর ফুলের বাজারসহ বিভিন্ন বিনোদন পার্কে ছিলো তরুণ-তরুণীসহ বিভিন্ন বয়সিদের পদচারণা। ফুল বাজারে কেউ এসেছে প্রিয়জনকে উপহার দেওয়ার জন্য ফুল কিনতে, আবার কেউ এসেছে পরিবারের সদস্যদের উপহার দেওয়ার জন্য। ক্রেতাদের আনাগোনায় কর্মব্যস্ত হয়ে পড়ে নগরীর শান্তিধাম মোড়ের ফুলের বাজার।

ভালোবাসা দিবসে নগরীর ৭ নম্বর ঘাটে ঘুরতে এসেছে প্রেমিক যুগল। ওই প্রেমিক বলেন, ‘বছরের এই বিশেষ দিনটি আমাদের কাছে অন্যরকম অনুভূতির। ব্যস্ততার মাঝে প্রিয় মানুষকে সময় দেওয়ার সুযোগ খুব কমই হয়। তাই ভালোবাসা দিবসে একটু খোলা আকাশের নিচে, নদীর পাড়ে একসঙ্গে সময় কাটাতে পেরে খুব ভালো লাগছে।’

তার সঙ্গিনী প্রেমিকা বলেন, ‘ভালোবাসা মানে শুধু উপহার নয় বরং একে অপরকে বোঝা ও পাশে থাকা। আজকের দিনটি আমাদের সম্পর্ককে আরও দৃঢ় করার একটি উপলক্ষ।’

একই স্থানে ঘুরতে আসা সৌরভ-সুমিতা দম্পতি বলেন, ‘৭ নম্বর ঘাটের প্রাকৃতিক পরিবেশ আমাদের দু’জনেরই খুব পছন্দ। এখানে এলে মনটা ভালো হয় যায়। এমন সুন্দর পরিবেশে প্রিয় মানুষের সাথে সময় কাটাতে সত্যিই ভালো লাগে। ভালোবাসা শুধু একটি দিনের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়; পারস্পারিক শ্রদ্ধা, বিশ্বাস ও আন্তরিকতাই সম্পর্কের মূল ভিত্তি।’

শান্তিধাম মোড়ে ফুল কিনতে আসা এক দম্পতি জানায়, ‘আজ ১৪ ফেব্রুয়ারি। বিবাহিত জীবনের ছয়টি বসন্ত আমরা একসাথে পার করেছি। ভালোবাসা আসলে সবার জন্যই। ফুল দিয়ে পরিবারের সবাইকে ভালোবাসার শুভেচ্ছা জানাবো।’

ভালোবাসা দিবসে বান্ধবীদের সাথে হাদিস পার্কে ঘুরতে এসেছে শান্তা। তিনি বলেন, ‘ভালোবাসা দিবস মানেই শুধু একজন বিশেষ মানুষের জন্য নয়, আমাদের বন্ধুদের জন্যও ভালোবাসা প্রকাশের দিন। আজ আমরা বান্ধবীরা একসাথে হাদিস পার্কে ঘুরতে এসেছি। পড়াশোনা আর ব্যস্ততার মাঝে এমন সময় খুব কমই পাওয়া যায়। তাই এই দিনটা আমরা নিজেদের মতো করে উদযাপন করছি। এখানে এসে খুব ভালো লাগছে-চারপাশের পরিবেশ সুন্দর, সবাই আনন্দ করছে। আমাদের কাছে বন্ধুত্বও এক ধরনের ভালোবাসা, আর এই মুহূর্তগুলো সারাজীবন মনে রাখার মতো।’

বিক্রেতা নজমুল হুদা বলেন, ‘গত শুক্রবার রাত থেকে ফুল বিক্রি শুরু হয়েছে। সকাল থেকে তরুণ-তরুণীদের আগমন বেশি। তাছাড়া মধ্য বয়সিরা তাদের পছন্দের মানুষকে উপহার হিসেবে ফুল দিচ্ছে ভালোবাসা দিবস উপলক্ষে। লাল গোলাপ ৩০ টাকা, সাদা গোলাপ ৪০ টাকা, পিং গোলাপ ৫০ টাকা, রজনিগন্ধা ২০ টাকা এবং জারবেরা ৩০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।’

তিনি বলেন, ‘নির্বাচনের কারণে গত কয়েকদিন ফুলের বিক্রি কম ছিলো। তবে ভালোবাসা দিবসে বিক্রি বেড়েছে।

 

খুলনা গেজেট/এনএম




আরও সংবাদ

খুলনা গেজেটের app পেতে ক্লিক করুন