নির্বাচনের কারণে খুলনার জেলখানা খেয়াঘাটে পারাপারের সময় যাত্রীদের কাছ থেকে নির্ধারিত ভাড়ার চেয়ে দ্বিগুণ টাকা আদায়ের অভিযোগ উঠেছে। নিয়ম অনুযায়ী একপাশ পারাপারের ভাড়া নির্ধারিত ৪ টাকা হলেও আজ নির্বাচনের দিন যাত্রীদের কাছ থেকে ১০ টাকা করে আদায় করা হচ্ছে।
এতে সাধারণ যাত্রীরা চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন। অনেকেই অভিযোগ করেছে, কোনো ধরনের নোটিশ বা নির্দেশনা ছাড়াই এ বাড়তি ভাড়া নেওয়া হচ্ছে।
মো. প্রিন্স বলেন, প্রতিদিন এ ঘাট দিয়ে পারাপার করি। প্রতিদিন ঘাটের মাঝিরা নদী পার হওয়ার জন্য ৪ টাকা করে নেয়। পাঁচ টাকা দিলে অনেক সময় ১ টাকা ফেরত দেয় না। কিন্তু আজ তারা ১০ টাকা নিয়েছে। জিজ্ঞাসা করলে মাঝিরা জানায়, আজ আমাদের নৌকা চালানোর অনুমতি নেই। তাই নদীতে নৌকা কম চলছে। এখন আমাদের ১০ টাকা দিয়ে নদী পারাপার হতে হচ্ছে। এটা একপ্রকার অন্যায়।
ঘাটে মাঝিদের কোনো নেতা বা দায়িত্বশীল ব্যক্তিকে পাওয়া যায়নি। উপস্থিত এক মাঝি জানান, খুব কম সংখ্যক মাঝি নদীতে চলাচলের অনুমতি পেয়েছে। তাই ১০ টাকার নিচে পারাপার সম্ভব নয়। কেউ প্রতিবাদ করে না, তাই ১০ টাকা দিয়েই নদী পার হলাম।
আইচগাতির বিউটি বেগম জানান, সবসময় ৪ টাকা দিয়ে নদী পার হই। নির্বাচনের কারণে যাত্রী ও টলারের সংখ্যা কম থাকায় মাঝিরা পারাপারে স্বেচ্ছাচারিতা করছে। দেখার কেউ নেই।
মো. জালাল নামে এক মাঝি অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, আমরা প্রতি যাত্রীর কাছ থেকে ৪ টাকা করে ভাড়া নিচ্ছি। প্রতি টলারে ৩০ জন যাত্রী নিয়ে নদী পারাপার করা হয়। তবে আজ নির্বাচনের দিন হওয়ায় যাত্রীদের চাপ কম। দ্রুত নদী পার হওয়ার জন্য যাত্রীরা ৪ টাকার ভাড়া ১০ টাকা দিচ্ছেন। কোনো ভাড়া বাড়ানো হয়নি এবং অতিরিক্ত কোনো টাকা নেওয়া হচ্ছে না।
খুলনা গেজেট/এএজে

