শুক্রবার । ২০শে ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ । ৭ই ফাল্গুন, ১৪৩২

৫ সপ্তাহে ভোমরা স্থলবন্দর দিয়ে এলো ২১ হাজার টন ভারতীয় চাল

সাতক্ষীরা প্রতিনিধি

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে দেশের চালের বাজার স্থিতিশীল রাখা এবং সরকারি খাদ্য মজুত বাড়াতে চাল আমদানিতে জোর দিয়েছে সরকার। এরই অংশ হিসেবে সাতক্ষীরার ভোমরা স্থলবন্দর দিয়ে ভারত থেকে চাল আমদানি করা হচ্ছে।

চলতি বছরের ১ জানুয়ারি থেকে ৫ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত ৩৫ দিনে ভোমরা স্থলবন্দর দিয়ে ২১ হাজার ৭২৪ মেট্রিক টন চাল দেশে প্রবেশ করেছে। ভোমরা কাস্টমস হাউস সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

সূত্র জানায়, খাদ্য মন্ত্রণালয়ের অনুমতি পাওয়ার পর আমদানিকারকরা দ্রুততার সঙ্গে ভারত থেকে চাল আমদানি শুরু করেন। মূলত বাজারে চালের সরবরাহ স্বাভাবিক রাখা এবং ঊর্ধ্বমুখী দাম নিয়ন্ত্রণে রাখতেই সরকারের এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। আমদানিকৃত চালের মধ্যে স্বল্প ও মাঝারি মানের আতপ ও সিদ্ধ চাল রয়েছে, যা সরকারি ও বেসরকারি উভয় খাতে সরবরাহ করা হচ্ছে।

ভোমরা কাস্টমস হাউসের সহকারী কমিশনার মোস্তফা কামাল জানান, ‘খাদ্য অধিদপ্তর থেকে নতুন করে লক্ষাধিক মেট্রিক টন চাল আমদানির অনুমতি দেওয়া হয়েছে। দেশের অন্যান্য স্থল ও সমুদ্রবন্দরের পাশাপাশি ভোমরা দিয়েও বড় পরিসরে চাল আসছে। আমদানিকৃত পণ্য দ্রুত খালাস নিশ্চিত করতে কাস্টমস কর্তৃপক্ষ নিয়মিত তদারকি করছে।

ব্যবসায়ীরা বলছেন, ‘ভৌগোলিক অবস্থান, ভারত সীমান্তের নিকটবর্তীতা এবং উন্নত সড়ক যোগাযোগ ব্যবস্থার কারণে ভোমরা স্থলবন্দর আমদানিকারকদের কাছে ক্রমেই জনপ্রিয় হয়ে উঠছে।’

ভোমরা কাস্টমস সিঅ্যান্ডএফ এজেন্টস অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক আবু মুসা বলেন, ‘ভোমরা এখন একটি পূর্ণাঙ্গ কাস্টমস হাউস। এখানে পণ্য খালাসে সময় কম লাগে এবং সার্বিক ব্যবসায়িক পরিবেশ আগের চেয়ে অনেক উন্নত। এ কারণে অন্যান্য বন্দরের তুলনায় ব্যবসায়ীরা এখান দিয়ে চাল আমদানিতে বেশি আগ্রহ দেখাচ্ছেন।’

আমদানি-রপ্তানিকারক অ্যাসোসিয়েশনের নেতারা মনে করছেন, এই বিপুল পরিমাণ চাল বাজারে পৌঁছালে খুচরা বাজারে দামের চাপ কিছুটা কমবে। একই সঙ্গে নিয়মিত আমদানি অব্যাহত থাকলে খাদ্য নিরাপত্তা জোরদার হবে এবং জাতীয় অর্থনীতিতেও ভোমরা স্থলবন্দর গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

 

খুলনা গেজেট/এনএম




আরও সংবাদ

খুলনা গেজেটের app পেতে ক্লিক করুন