ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন আগামী বৃহস্পতিবার অনুষ্ঠিত হবে। ভোট গ্রহণের বাকী আর মাত্র তিন দিন। প্রচার-প্রচারণায় ব্যস্ত সময় পার করছেন প্রার্থী ও কর্মী-সমর্থকরা। গতকাল রবিবার খুলনা ছিল মিছিলের নগরী। এক পক্ষের মিছিল শেষ হতে না হতেই শুরু করে অপর প্রার্থীর মিছিল। তবে শেষ মুহূর্তে দলত্যাগী নেতাদের একটি বড় অংশ প্রার্থীদের সাথে যোগ দিয়ে প্রচারণার মাত্রা বাড়িয়ে দিয়েছে।
আগামীকাল মঙ্গলবার সকাল ৭টা থেকে নির্বাচনসংক্রান্ত সকল প্রচার-প্রচারণা বন্ধ হয়ে যাবে। ইতোমধ্যে মাঠে নেমেছে সেনাবাহিনীসহ সকল বাহিনীর সদস্যরা। পাশাপাশি মাঠে রয়েছে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট। এর আগে থেকে সব দলের প্রার্থীরা অচারণ ব্যবস্থায় সংযত হয়েছে। কোন প্রকার অনিয়ম বা পেশিশক্তি প্রয়োগ করলে বা প্রভাব বিস্তার করার চেষ্টা করলে তার বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেবে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী।
রবিবার দুপুরের পর থেকে খুলনার নির্বাচনি প্রচারণা ছিল চোখে পাড়ার মতো। ট্রাক ও বাসে প্রার্থীদের বিশালা প্যানা দিয়ে সাজিয়ে সেগুলো নগরীর বিভিন্ন রাস্তা প্রদক্ষিণ করে।
শেষ মুহূর্তে সবচেয়ে আলোচনার বিষয় ছিল ত্যাগী নেতাদের ঘরে ফেরা। তারা দলীয় প্রার্থীর পাশে থেকে প্রচারণায় অংশ নিয়েছে। বিষয়টি লক্ষ্য করে অনেকেই বলেছেন, ঘরের ছেলে ঘরে ফিরেছে।
ডাকবাংলো মোড়ে ব্যবসায়ী আলকাজ বলেন, নির্বাচনি পরিবেশ খুব ভালো লাগছে। দুই দলের মধ্যে রাজনৈতিক মত বিরোধ থাকলেও ভ্রাতৃত্বের বন্ধনে আবদ্ধ হয়ে তারা শান্তিপূর্ণভাবে কাজ করছেন। পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে সকাল থেকে রাজপথগুলোতে সেনাবাহিনীর মহড়া দেখা গেছে। ভোটের দিন পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে সকালে কেন্দ্রে ভোট দিতে যাবেন তিনি।
খুলনা গেজেট/এনএম

