শুক্রবার । ২০শে ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ । ৭ই ফাল্গুন, ১৪৩২

সবকিছুর অনিষ্ট থেকে বাঁচতে প্রতিদিন যে আমল করবেন

গেজেট প্রতিবেদন

বিপদ-আপদ কখন আসবে তা কেউ জানে না। তবে সেই মুহূর্তে ধৈর্য ধারণের পাশাপাশি মহান রবের নিকট সাহায্য চাওয়া প্রত্যেক মুমিনের কর্তব্য। এ ক্ষেত্রে মনে রাখতে হবে, ধৈর্য ধারণের ক্ষেত্রে বিপদের প্রথম মুহূর্ত অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এই সময়ে ধৈর্য ধারণকারীরাই সফলকাম হতে পারেন।

হাদিসে এসেছে, আনাস ইবনু মালিক (রা.) বলেন, রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, প্রকৃত ধৈর্য ধারণ করা হলো বিপদ-আপদের প্রথম মুহূর্তে। (সহিহ মুসলিম, হাদিস: ২০১১)

অন্যদিকে ধৈর্যশীলদের সঙ্গে থাকার ওয়াদা স্বয়ং আল্লাহ তা’আলার। পবিত্র কুরআনে ইরশাদ হয়েছে, ‘হে মুমিনগণ! তোমরা ধৈর্য ও নামাজের মাধ্যমে সাহায্য প্রার্থনা করো। নিশ্চয়ই আল্লাহ ধৈর্যশীলদের সঙ্গে রয়েছেন।’ (সুরা বাকারা, আয়াত: ১৫৩)

এজন্য দুনিয়া ও আখিরাতে সফল হতে বিভিন্ন সময়ে বর্ণিত হাদিসে রাসুল (সা.) যেমন উম্মতদের নানা বিষয়ে আদেশ-নিষেধের কথা জানিয়েছেন, তেমনি বাতলে দিয়েছেন মহান রবের সন্তুষ্টি অর্জনের পথও। এরমধ্যে একটি হাদিসে ক্ষণস্থায়ী পৃথিবীতে যেকোনো ধরনের অনিষ্ট থেকে বাঁচার আমলের কথা এসেছে।

আবদুল্লাহ ইবনু খুবাইব (রা.) থেকে বর্ণিত হাদিসটি হলো, একবার ঘুটঘুটে অন্ধকার ও বৃষ্টিমুখর রাতে আমাদের নামাজ আদায় করানোর জন্য আমরা রাসুল (সা.) এর সন্ধানে বের হলাম। আমি তার দেখা পেলে তিনি আমাকে বললেন, বল। কিন্তু আমি কিছুই বললাম না। নবীজি (সা.) আবার বললেন, বল। এবারও আমি কিছুই বললাম না।

এরপর তৃতীয়বার আবারও রাসুল (সা.) বললেন, বল। এবার আমি প্রশ্ন করলাম, আমি কী বলব? জবাবে নবীজি (সা.) বললেন, তুমি প্রতিদিন সকালে ও বিকেলে উপনীত হয়ে তিনবার করে সুরা কুল হুআল্লাহু আহাদ (সুরা ইখলাস) ও আল-মু’আওবিযাতাইন (সুরা ফালাক ও সুরা নাস) পাঠ করবে। এটি সকল বস্তুর (অনিষ্ট) থেকে তোমার জন্য যথেষ্ট হবে। (সুনাত আবু দাউদ, হাদিস: ৫০৮২; সুনান আত তিরমিজি, হাদিস: ৩৫৭৫)




খুলনা গেজেটের app পেতে ক্লিক করুন