নগরীর বয়রাস্থ বন্যপ্রাণী উদ্ধার ও পুনর্বাসন কেন্দ্রে ২৪ দিনের বন্দি জীবনে চিকিৎসাধীন থাকার পর সুন্দরবনে ফাঁদে আটকে পড়া সেই বাঘটি হুংকার ও গর্জন দিতে শুরু করেছে। বিশেষজ্ঞ দলের পরামর্শে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। ব্লো পাইপের মাধ্যমে ইনজেকশন দেওয়া হচ্ছে। গত ৪ জানুয়ারি বনের চাঁদপাই রেঞ্জের শোরকির খাল এলাকায় শিকারির ফাঁদে আটকা পড়া অবস্থায় বাঘটি উদ্ধার হয়।
সংশ্লিষ্ট সূত্রের দেওয়া তথ্য মতে, প্রতিদিন সকালে ও বিকেলে ৫ কেজি করে গো মাংস দেওয়া হচ্ছে। সাথে ভিটামিন, অ্যান্টিবায়োটিক ও কৃমির ওষুধ খাওয়ানো হচ্ছে। গাজীপুর সাফারি পার্কে ভেটেনারি সার্জন ডা. হাতেম সরকার জুলকার নাইনের তথ্যাবদানে দু’সপ্তাহকাল চিকিৎসাধীন ছিল। বিদেশি বাঘ বিশেষজ্ঞ ডা. এরিক পর্যবেক্ষণ করে প্রয়োজনীয় পরামর্শ দেন। তিনি আমেরিকার তৈরি ভিটামিন ট্যাবলেট খাওয়াতে তাগিদ দিয়েছেন। ৬ বছর বয়সি মাদি বাঘটি বাম পায়ে আঘাতপ্রাপ্ত হয়ে নিবিড় পর্যবেক্ষণে আছে। কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের ভেটেনারি অনুষদের প্রফেসর ড. মোঃ গোলাম হায়দারের নেতৃত্বে একটি বিশেষজ্ঞ দল এ প্রাণীর স্বাস্থ্য ও চিকিৎসা বিষয়ে মনিটরিং করছে।
বন্যপ্রাণী ও প্রকৃতি সংরক্ষণ বিভাগ, ‘খুলনার বিভাগীয় বন কর্মকর্তা নির্মল কুমার পাল বলেছেন, সুস্থ হতে সময় লাগবে। ক্ষতস্থানে ব্যান্ডেজ দেওয়া হয়েছে। কিন্তু ব্যান্ডেজটি এ প্রাণী খুলে ফেলছে।’
তিনি বলেন, ‘সুস্থ হলে সিদ্ধান্ত হবে এর পরবর্তী ঠিকানা কোথায় হবে।’
খুলনা গেজেট/এনএম



