জাতীয় শিক্ষা সপ্তাহ-২০২৬ উদযাপন উপলক্ষ্যে আয়োজিত উপজেলা পর্যায়ের প্রতিযোগিতায় ফুলতলা উপজেলার শিরোমণি মাধ্যমিক বিদ্যালয় অনন্য সাফল্য অর্জন করেছে। উপজেলার মাধ্যমিক পর্যায়ের বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে প্রাপ্ত আবেদনের ভিত্তিতে আজ ফলাফল ঘোষণা করা হয়। ফলাফলে শ্রেষ্ঠ প্রতিষ্ঠান প্রধান, শ্রেষ্ঠ শ্রেণি শিক্ষক ও শ্রেষ্ঠ শিক্ষার্থী—সব ক্যাটাগরিতেই নির্বাচিত হয় একই প্রতিষ্ঠান। এ সাফল্যে তৎক্ষণাৎ বিদ্যালয়ের পরিচালনা কমিটি, শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের অভিনন্দন জানান।
উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিস সূত্রে জানা যায়, শ্রেষ্ঠ প্রতিষ্ঠান প্রধান ক্যাটাগরিতে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মনিরা পারভীন, শ্রেষ্ঠ শ্রেণি শিক্ষক ক্যাটাগরিতে সহকারী শিক্ষক (গণিত) মো. সোহাগ হোসেন এবং শ্রেষ্ঠ শিক্ষার্থী ক্যাটাগরিতে সপ্তম শ্রেণির শিক্ষার্থী আদনান এহতেশাম রাফিদ নির্বাচিত হন।
পঞ্চম বারের মতো উপজেলার শ্রেষ্ঠ প্রতিষ্ঠান প্রধান নির্বাচিত হয়েছেন ফুলতলা উপজেলার শিরোমণি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মনিরা পারভীন। টানা পঞ্চমবারের মতো তিনি এই সম্মাননা অর্জন করেন। এর আগে তিনি ইন্দো-বাংলা সামিট পুরস্কার, বেগম রোকেয়া পদক ও ‘শিক্ষাকালীন পদক’ লাভ করেন। শিক্ষাক্ষেত্রে বিশেষ অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ তিনি বর্তমানে বাংলাদেশ স্কাউটসের জেলা লিডার হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।
দ্বিতীয় বারের মতো উপজেলার শ্রেষ্ঠ শ্রেণি শিক্ষক নির্বাচিত হয়েছেন একই প্রতিষ্ঠানের সহকারী শিক্ষক (গণিত) মো. সোহাগ হোসেন। এর আগে তিনি জাতীয় শিক্ষা সপ্তাহ ২০২৩-ও উপজেলার শ্রেষ্ঠ শ্রেণি শিক্ষক নির্বাচিত হয়েছিলেন। তার লেখা দুটি গবেষণা নিবন্ধ আন্তর্জাতিক জার্নালে প্রকাশিত হয়েছে এবং তার একটি বই জার্মানির ল্যাম্বার্ট একাডেমিক পাবলিশিং থেকে প্রকাশিত হয়েছে।
প্রথমবারের মতো উপজেলার শ্রেষ্ঠ শিক্ষার্থী নির্বাচিত হয়েছে সপ্তম শ্রেণির শিক্ষার্থী আদনান এহতেশাম রাফিদ। উপজেলার দামোদর গ্রামের মো. রফিকুল ইসলাম ও পারভীন আক্তার দম্পতির জ্যেষ্ঠ পুত্র রাফিদ ছোটবেলা থেকেই পাঠাভ্যাস ও সহশিক্ষা কার্যক্রমে মনোযোগী। বর্তমানে সে শিরোমণি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সপ্তম শ্রেণিতে অধ্যয়নরত। পড়াশোনার পাশাপাশি বাংলাদেশ স্কাউটস, বিভিন্ন ক্রীড়া প্রতিযোগিতা ও সৃজনশীল লেখালেখিতে অংশগ্রহণ করে সে অসংখ্য পুরস্কার অর্জন করেছে।
খুলনা গেজেট/এএজে
