নির্বাচন কমিশনে (ইসি) সংসদীয় আসনের সীমানা নিয়ে দাবি-আপত্তির শুনানি চলাকালে হাঙ্গামার ঘটনায় আইনি পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে সাংবিধানিক সংস্থাটি। গত রোববার ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ ও ৩ আসনের খসড়া সীমানার শুনানিতে হাতাহাতির ঘটনায় রাজধানীর শেরেবাংলা নগর থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করা হয়েছে। তবে এতে কারো নাম উল্লেখ করা হয়নি। গত সোমবার এ জিডি করা হয়।
ওই দিন শুনানির পক্ষে ছিলেন সংরক্ষিত আসনের বিএনপির সাবেক এমপি ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা, বিপক্ষে ছিলেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মো. আতাউল্লাহ। প্রধান নির্বাচন কমিশনারের (সিইসি) উপস্থিতিতে এমন ঘটনায় বিব্রত হয় ইসি।
জিডির আবেদনে স্বাক্ষর করেন ইসির প্রধান নিরাপত্তা কর্মকর্তা ও উপসচিব শহীদ আবদুস সালাম। তিনি বলেন, ইসির পক্ষ থেকে জিডি করতে বলা হয়। কারো আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে নয়, নিরাপত্তা ও ভবিষ্যতে অনভিপ্রেত ঘটনা এড়াতে স্বউদ্যোগে পুরো কমিশন সম্মত হয়ে এটা করেছে। তবে জিডিতে অভিযুক্ত হিসেবে কারো নাম উল্লেখ করা হয়নি।
এর আগে রোববার ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ ও ৩ আসনের খসড়া সীমানার ওপর দাবি-আপত্তিতে শুনানি শুরু করে ইসি। শুনানির একপর্যায়ে রুমিন ফারহানার উপস্থিতিতে এনসিপির আতাউল্লাহকে কিল, ঘুষি ও লাথি মারা হয়। তারপর ইসি কর্মকর্তারা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন। পরে ইসি সচিব ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ ও ৩ আসনের জন্য শুনানি শেষ করেন এবং তাদের শুনানি কক্ষ ত্যাগ করার অনুরোধ জানান।
খুলনা গেজেট/এমএম