ভারত নিয়ন্ত্রিত জম্মু ও কাশ্মিরের কিশতোয়ার জেলার চশোতি জেলায় মেঘভাঙা বৃষ্টির জেরে সৃষ্ট বন্যায় মৃতের সংখ্যা বেড়েই চলেছে। আজ (শুক্রবার) সকালে পর্যন্ত কমপক্ষে ৪৬ জনের মৃত্যুর খখবর পাওয়া গেছে। নিহতদের মধ্যে রিয়েছেন দেশটির কেন্দ্রীয় শিল্প নিরাপত্তা বাহিনীর (সিআইএসএফ) দুই কর্মী। আরো অনেকে এখনো নিখোঁজ। এ কারণে মৃতের সংখ্যা আরো বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। খবর হিন্দুস্তান টাইমসের।
প্রতিবেদনে জানানো হয়, প্রবল বৃষ্টিজনিত কারণে শতাধিক মানুষ আহত হয়েছেন। এখন পর্যন্ত উদ্ধার করা হয়েছে ১০০ জনকে। জম্মু ও কাশ্মিরের লেফটেন্যান্ট গভর্নর মনোজ সিনহা জানিয়েছেন, দ্রুত উদ্ধারকাজের জন্য জেলা প্রশাসন, পুলিশ, ভারতীয় সেনা, জাতীয় বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনী (এনডিআরএফ) এবং রাজ্য বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনীকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
ট্রাম্পের প্রশংসায় পুতিনট্রাম্পের প্রশংসায় পুতিন
এছাড়া ডেপুটি কমিশনার পঙ্কজ কুমার শর্মা হিন্দুস্তান টাইমসকে বলেন, শতাধিক মানুষ আহত হয়েছেন। বেশ কয়েকজন নিখোঁজ থাকায় মৃতের সংখ্যা বাড়তে পারে।
বৃহস্পতিবার (১৪ আগস্ট) দুপুরে জম্মু ও কাশ্মিরের কিশতোয়ার জেলার চাশোটি এলাকায় ভয়াবহ এ প্রাকৃতিক বিপর্যয়ের ঘটনা ঘটে। খুবই অল্প সময়ের মধ্যে অস্বাভাবিক বৃষ্টিপাতে সৃষ্ট আকস্মিক এ বন্যার পানি নিচু অঞ্চলে যা ছিল তার সবই ভাসিয়ে নিয়ে গেছে। এতে করে নিচু জায়গাগুলো ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে।
জম্মু ও কাশ্মীরে প্রতিবছর কিসওয়ারের মাতা চণ্ডী হিমালয় তীর্থস্থানের বার্ষিক যাত্রা হয়। এই তীর্থস্থানে যেতে চাশোটি হয়ে যেতে হয়। চাশোটি হলো তীর্থস্থানে যাত্রা শুরুর স্থান। অঞ্চলটি বেশ দুর্গম। তবে এই চাশোটি গ্রামের পর আর গাড়ি যাওয়ার কোনো রাস্তা নেই। এদিকে মেঘ বিস্ফোরণে আকস্মিক বন্যার কারণে এবারের বার্ষিক যাত্রা স্থগিত করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন স্থানীয় এক কর্মকর্তা।
খুলনা গেজেট/এনএম