যশোর সদর উপজেলা নির্বাচনকে কেন্দ্র করে শনিবার দিবাগত রাতভর সমস্ত শহরে ত্রাসের রাজত্ব কায়েম করা হয়। এ সময় বিএনপির শীর্ষ নেতাদের বাসভবন ও দলীয় কার্যালয়ে হামলা চালিয়ে ব্যাপক ভাংচুর ও ক্ষতিসাধন করা হয়। খুলনা মহানগর বিএনপি ও অঙ্গ সংগঠনের নেতৃবৃন্দ এক যৌথ বিবৃতিতে যশোরে বর্বরোচিত হামলার ঘটনার তিব্র নিন্দা জানিয়েছেন।
শনিবার রাতে সন্ত্রাসীরা বিএনপির জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য মরহুম তরিকুল ইসলাম, জেলা বিএনপির আহবায়ক নার্গিস বেগম, বিএনপির কেন্দ্রীয় সহ সাংগঠনিক সম্পাদক অনিন্দ্য ইসলাম অমিত, জেলা কমিটির সদস্য সচিব এ্যাড. সাবেরুল হক সাবু, যুগ্ম আহবায়ক দেলোয়ার হোসেন খোকন, সদস্য মিজানুর রহমান খান, গোলাম রেজা দুলু, আব্দুস সালাম আজাদ, হাজী আনিসুর রহমান মুকুল, মনির আহমেদ সিদ্দিকী বাচ্চুর বাড়িতে হামলা ভাংচুর এবং জেলা বিএনপি অফিস তছনছ করা হয়েছে।
বিবৃতিতে বিএনপি এবং অঙ্গ সংগঠনের নেতৃবৃন্দ বলেন, এমন ঘটনা সুষ্ঠু নির্বাচনের পথে অন্তরায়। অবশ্যই শান্তিপূর্ণ সহাবস্থান নিশ্চিত করতে হবে। অন্যথায় অতীতের মত নির্বাচন প্রশ্নবিদ্ধ হবে।
বিবৃতিদাতারা হলেন, খুলনা মহানগর বিএনপির সিনিয়র সহ-সভাপতি সাহারুজ্জামান মোর্ত্তজা, মহানগর বিএনপির যুগ্ম সম্পাদক মোঃ আমজাদ হোসেন, মহানগর বিএনপির যুব বিষয়ক সম্পাদক শফিকুল আলম তুহিন, মহানগর বিএনপির স্বেচ্ছাসেবক বিষয়ক সম্পাদক আজিজুল হাসান দুলু, তথ্য ও প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক এহতেশামুল হক শাওন, সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক মাসুদ পারভেজ বাবু, সহ-প্রচার সম্পাদক কেএম হুমায়ুন কবির, মহানগর যুবদলের সভাপতি মাহবুব হাসান পিয়ারু, মহানগর স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি একরামুল হক হেলাল, মহানগর শ্রমিক দলের সাধারণ সম্পাদক মজিবর রহমান, মহানগর মহিলা দলের সাধারণ সম্পাদক আজিজা খানম এলিজা, মহানগর ছাত্রদলের সাবেক সহ-সভাপতি মোঃ তারিকুল ইসলাম, মহানগর স্বেচ্ছাসেবক দলের সাধারণ সম্পাদক ফারুক হিল্টন, যুবদলের সিনিয়র সহ-সভাপতি নেহিবুল হাসান নেহিম, সাংগঠনিক সম্পাদক আব্দুল আজিজ সুমন, মহানগর ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক হেলাল আহম্মেদ সুমন, স্বেচ্ছাসেবক দলের সাংগঠনিক সম্পাদক মুনতাসির আল মামুন প্রমূখ। সূত্র : খবর বিজ্ঞপ্তি
খুলনা গেজেট/কেএম