খুলনা, বাংলাদেশ | ৫ আষাঢ়, ১৪৩১ | ১৯ জুন, ২০২৪

Breaking News

  কক্সবাজারের উখিয়ায় রোহিঙ্গা ক্যাম্পে পাহাড়ধসে ৯ জনের মৃত্যু, নিখোঁজ ৩
‘উন্নয়নের নামে দেশের সম্পদ চুরি ও লুটপাট করা হচ্ছে’

সরকার আবারও প্রহসনের নির্বাচন করে ক্ষমতায় আসতে চায় : ফখরুল

গেজেট ডেস্ক

বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, ‘অপ্রয়োজনীয় প্রকল্প গ্রহণ করে উন্নয়নের নামে দেশের সম্পদ চুরি ও লুটপাট করা হচ্ছে। চারদিকে তাকিয়ে দেখেন- আওয়ামী লীগের যেসব নেতা সাইকেলে চড়তে পারত না তারা আজ বিলাসবহুল গাড়িতে চড়ে ঘুরছে। যাদের চালাঘর ছিল না তারা চারতলা বাড়ি বানিয়েছে। দেশের সম্পদ লুট করে তারা বিদেশে বাড়ি করছে।’

রোববার বিকেলে ঠাকুরগাঁও পৌর বিএনপির সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

মির্জা ফখরুল বলেন, ‘আমরা কঠিন সময় পার করছি। এখন দেশকে পুরুদ্ধারের সময়। গণতন্ত্র ফিরিয়ে আনার সময়। আন্দোলন-সংগ্রাম করে বিজয় অর্জনের সময়।

‘এই সরকার আবারও একটি প্রহসনের নির্বাচন করে ক্ষমতায় আসতে চায়। তারা বিএনপি নেতাকর্মীদের নামে মিথ্যা মামলা দিয়ে দমিয়ে রাখতে চায়।’

সিলেট সিটি করপোরেশন নির্বাচন প্রসঙ্গে মির্জা ফখরুল বলেন, ‘নির্বাচন এখনও শুরুই হলো না। অথচ সেখানে বিএনপির নেতাকর্মীদের নামে মিথ্যা মামলা দেয়া শুরু হয়ে গেছে। ইতোমধ্যে ১৭ জন নেতাকর্মীকে গ্রেপ্তারের খবর পাওয়া গেছে।

‘এই সরকার শুধু দেশের অর্থনৈতিক ব্যবস্থাকে ধ্বংস করেনি, দেশের নির্বাচন ব্যবস্থাকেও ধ্বংস করে দিয়েছে। মানুষ তার ভোটের অধিকার প্রয়োগ করতে পারছে না। আমাদের ভোটের অধিকার নিশ্চিত করতে হবে। আমার ভোট আমি দেব, যাকে খুশি তাকে দেব।’

নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতির উল্লেখ করে মির্জা ফখরুল বলেন, ‘তেল, লবণ, চিনির দাম চার থেকে পাঁচ গুণ বেড়ে সাধারণ মানুষের ক্রয়ক্ষমতার বাইরে চলে গেছে। সাধারণ মানুষের অবস্থা খারাপ হলেও তারা (আওয়ামী লীগ নেতা) দিন দিন অবস্থাশালী হচ্ছে।

‘বাংলাদেশ কৃষিপ্রধান দেশ। কিন্তু এ দেশের কৃষকরা আজ ভালো নেই। সারের দাম বাড়িয়ে দেয়া হয়েছে। তাই আমাদের আর বসে থাকার সময় নেই। আমাদেরকে আন্দোলন করতে হবে। চলমান আন্দোলনে ইতোমধ্যে আমাদের ১৭ জন সহকর্মী প্রাণ দিয়েছেন।

‘আন্দোলনের মধ্য দিয়ে এই সরকারকে পদত্যাগে করতে বাধ্য করতে হবে। তত্ত্বাবধায়ক সরকার দিতে বাধ্য করতে হবে।’

বিএনপি মহাসচিব পরে ঠাকুরগাঁও পৌর বিএনপির সভাপতি হিসেবে শরিফুজ্জামান শরীফ ও সাধারণ সম্পাদক তারেক আদনান, সাংগঠনিক সম্পাদক রিয়াজুল ইসলামসহ ৬ সদস্যবিশিষ্ট আংশিক কমিটির নাম প্রস্তাব করেন। সবাই এ কমিটি মেনে নিলে ১৫ দিনের মধ্যে সবার সঙ্গে সমন্বয় করে একটি পূর্ণাঙ্গ কমিটি করার কথা বলেন তিনি।

মির্জা ফখরুল এর আগে সদর উপজেলা বিএনপির তিন সদস্যবিশিষ্ট একটি কমিটি ঘোষণা করেন। ওই কমিটিতে আব্দুল হামিদকে সভাপতি, মাহাবুব হোসেন তুহিনকে সাধারণ সম্পাদক ও কাজী আজমগীর হোসেনকে সাংগঠনিক সম্পাদক হিসেবে নাম প্রস্তাব করেন তিনি। সবাই একমত হলে একইভাবে ১৫ দিনের মধ্যে পূর্ণাঙ্গ কমিটি করা হবে বলে তিনি জানিয়ে দেন।

খুলনা গেজেট/ এসজেড




আরও সংবাদ

খুলনা গেজেটের app পেতে ক্লিক করুন

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।

© 2020 khulnagazette all rights reserved

Developed By: Khulna IT, 01711903692

Don`t copy text!