খুলনা, বাংলাদেশ | ৩০ চৈত্র, ১৪৩০ | ১৩ এপ্রিল, ২০২৪

Breaking News

  পটুয়াখালীতে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে অটোরিকশা খাদে পড়ে নিহত ২
  রাজধানীর ভাসানটেকে গ্যাস সিলিন্ডার বিস্ফোরণে দগ্ধ নারীর মৃত্যু
  মুন্সীগঞ্জে দুই গ্রুপের সংঘর্ষে গুলিবিদ্ধ হয়ে যুবক নিহত, আহত ১০
  ঈদের পরদিন সড়ক দুর্ঘটনায় সারাদেশে নিহত ১২

ভারতে সাংবাদিকদের ফোনে ইসরায়েলি স্পাইওয়্যার পেগাসাস

গেজেট ডেস্ক

অ্যামনেস্টি অভিযোগ করেছে, ভারতে সাংবাদিকদের ফোনে পেগাসাস স্পাইওয়্যার ব্যবহার করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার প্রকাশিত ‘টার্গেটেড ক্র্যাকডাউন অন ফ্রিডম অব এক্সপ্রেশন’ নামের এক প্রতিবেদনে এই অভিযোগ করেছে মানবাধিকার বিষয়ক আন্তর্জাতিক বেসরকারি সংস্থাটি।

প্রতিবেদনটিতে বলা হয়েছে, ভারতে নামকরা সাংবাদিকদের ফোনে ইসরায়েলি স্পাই সফটওয়্যার পেগাসাস ব্যবহার করা হয়েছে। দ্য ওয়্যারের সম্পাদক সিদ্ধার্থ বরদারাজন, দ্য অর্গানাইজড ক্রাইম অ্যান্ড করাপশন প্রজেক্টের দক্ষিণ এশিয়ার সম্পাদক আনন্দ মঙ্গলের আইফোনে ফরেনসিক তদন্ত করেছিল অ্যামেনস্টি।

অ্যামনেস্টির সিকিউরিটি ল্যাবের প্রধান ক্যারল বলেছেন, ‘আমরা দেখতে পেয়েছি, ভারতে সাংবাদিকদের ওপর বেআইনি নজরদারি চলছে। তারা শুধু নিজের কাজ করছেন। তাদের ফোনে আড়িপাতা হচ্ছে।’

অ্যামনেস্টি যা পেয়েছে :
২০২৩ সালের অক্টোবরে অ্যাপল একাধিক আইফোন ব্যবহারকারীকে জানায়, তাদের ফোনে স্পাইওয়্যার বসানোর চেষ্টা করা হয়েছে।

যাদের কাছে এই বার্তা গিয়েছিল, তাদের মধ্যে ২০ জন সাংবাদিক ও বিরোধী রাজনীতিক ছিলেন।
অ্যামনেস্টি এই খবরের ফলো আপ করে। তাদের সিকিউরিটি ল্যাব ফরেনসিক বিশ্লেষণ করে। তাদের এই বিশ্লেষণে ধরা পড়ে, মঙ্গলের ফোন ২০২৩ সালের ২৩ আগস্টে জিরো ক্লিক সংক্রামিত হয়েছে।

এর ফলে কোনোরকম ক্লিক বা বোতাম টেপা ছাড়াই স্পাইওয়্যার ইনস্টল হয়ে যায়। তার ফোনে স্পাইওয়্যার সফলভাবে বসান হয়েছিল কি না, তা অ্যামনেস্টি বলতে পারেনি। তবে এই ঘটনাটা ঘটেছিল, যখন মঙ্গলে ভারতের শেয়ারবাজারে কারচুপি করার চেষ্টা নিয়ে একটি খবর করছিলেন।

অন্যদিকে বরদারাজনের ফোন আক্রান্ত হয় একই বছরের ১৬ অক্টোবর। ২০১৮ সালেও তার ফোনে মঙ্গলের মতো একইভাবে স্পাইওয়্যার ঢোকানোর চেষ্টা হয়েছিল।

পেগাসাস সফটওয়ার ইসরায়েলি কম্পানি এনএসও গ্রুপ তৈরি করেছে এবং বিশ্বজুড়ে তা সাংবাদিক ও রাজনীতিকদের বিরুদ্ধে ব্যবহৃত হয়। পেগাসাস ব্যবহারের সাম্প্রতিক অভিযোগ নিয়ে কম্পানির পক্ষ থেকে ওয়াশিংটন পোস্টকে জানানো হয়েছে, তারা নির্দিষ্ট কোনো ক্রেতা সম্পর্কে কোনো মন্তব্য করবে না। তবে তারা মূলত কোনো দেশের স্বীকৃত গোয়েন্দা বা আইন রক্ষাকারী সংস্থাকে এই সফটওয়্যার দেয়। নিয়মানুযায়ী তারা একমাত্র সন্ত্রাসবাদ ও গুরুতর অপরাধের ক্ষেত্রে এই সফটওয়্যার ব্যবহার করবে।

অ্যামনেস্টি জানিয়েছে, ভারত অবশ্য পেগাসাস ব্যবহার করছে বলে কখনো ঘোষণা করেনি। ক্যারল জানিয়েছেন, ‘আমরা ভারতসহ সব দেশের কাছে আবেদন জানাচ্ছি, তারা যেন এই স্পাইওয়্যার আমদানি এবং ব্যবহার না করে।’

খুলনা গেজেট/ টিএ




আরও সংবাদ

খুলনা গেজেটের app পেতে ক্লিক করুন

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।

© 2020 khulnagazette all rights reserved

Developed By: Khulna IT, 01711903692

Don`t copy text!