খুলনা, বাংলাদেশ | ১৭ আষাঢ়, ১৪২৯ | ১ জুলাই, ২০২২

Breaking News

  গত ২৪ ঘণ্টায় সারা বিশ্বে করোনায় আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন ১ হাজার ৩৮০ জন ও আক্রান্ত হয়েছেন ৭ লাখ ১৯ হাজার ৪৮০ জন

বাগেরহাটে ইট বোঝাই ট্রলির ধাক্কায় মৃত্যু বেড়ে ৩

নিজস্ব প্রতিবেদক, বাগেরহাট

বাগেরহাটে ইট বোঝাই ট্রলির ধাক্কায় আব্দুস সালাম খান (৪২) নামের আরও একজনের মৃত্যু হয়েছে। বুধবার (২৫ মে) বিকেলে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে আব্দুস সালামের মৃত্যু হয়।

এর আগে সকাল সাড়ে ৯টায় বাগেরহাট পিরোজপুর মহাসড়কের দড়াটানা সেতুর ঢালে চিংড়ি গবেষণা কেন্দ্রের সামনে বাগেরহাট শহর থেকে আসা ইট বোঝাই ট্রলির ধাক্কায় বিপরীত দিক থেকে আসা একটি যাত্রীবাহী ভ্যান রাস্তার খাদে পরে যায়। এতে ঘটনাস্থলে রেশমী বেগম নামের এক নারীর মৃত্যু হয়। পরে আহত ভ্যান চালক আজগর মীর ও আব্দুস সালাম খানকে উদ্ধার করে বাগেরহাট জেলা হাসপাতালে নেয় স্থানীয়রা। হাসপাতালে নেওয়ার পথে ভ্যান চালক আজগর মীরের মৃত্যু হয়। ঘটনার পর থেকে ট্রলির চালক পলাতক রয়েছেন। কাটাখালী হাইওয়ে থানা পুলিশ ট্রলিটি জব্দ করেছে।

নিহতরা হলেন, বাগেরহাট সদর উপজেলার সুন্দরঘোনা গ্রামের বাবুল ফকিরের স্ত্রী রেশমী বেগম (৫০), কচুয়া উপজেলার শোলারকোলা গ্রামের সুলতান খানের ছেলে সালাম খান(৪২) এবং কচুয়া উপজেলার আঠাড়গাতি গ্রামের আশ্বাপ উদ্দিনের ছেলে ভ্যান চালক আজগর মীর (৫০)।

কাটাখালী হাইওয়ে থানার এসআই বলেন, দ্রুতগামী একটি ট্রলির ধাক্কায় একটি যাত্রীবাহী ভ্যান রাস্তার খাদে পরে যায়। এতে ঘটনাস্থলেই রেশমী বেগম নামের এক নারীর মৃত্যু হয়। আহত হন ভ্যান চালক আজগর মীর ও যাত্রী আব্দুস সালাম খান। আহতদের উদ্ধার করে বাগেরহাট জেলা হাসপাতালে নেওয়ার পথে ভ্যান চালক আজগর মীর মারা যায়। পরবর্তীতে জেলা হাসপাতালের চিকিৎসকদের পরামর্শে আব্দুস সালাম খানকে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আব্দুস সালামেরও মৃত্যু হয়। আইনি প্রক্রিয়া আমরা নিহতদের মরদেহ উদ্ধার করেছি। তাদের পরিবারের কাছে হস্তান্তরের প্রক্রিয়া চলছে।

এদিকে বাগেরহাট দড়াটানা সেতুর ঢালে বারবার দূর্ঘটনা এড়াতে পিরোজপুর-বাগেরহাট মহাসড়কের চিংড়ি গবেষণা ও ইনস্টিটিউট অব মেরিন টেকনোলজির সামনে স্পিড ব্রেকার দেওয়ার দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা।

চিংড়ি গবেষণা কেন্দ্রের সিনিয়র বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা রাকিব হাসান বলেন, দড়াটানা সেতু থেকে নেমে পিরোজপুর-বাগেরহাট মহাসড়কের ডান পাশেই চিংড়ি গবেষনা কেন্দ্র ও ইনস্টিটিউট অব মেরিন টেকনোলজির অবস্থান। দুটি প্রতিষ্ঠানের সামনে প্রায়িই দূর্ঘটনা ঘটছে। এরপরেও কোন যানবাহনের চালকরা এখান দিয়ে যাওয়ার সময় গাড়ির গতি কমায় না। বরং প্রতিযোগিতা করে দ্রুত গতিতে চালিয়ে থাকে। এই দুটি প্রতিষ্ঠানে প্রতিদিন অসংখ্য মানুষের আসা যাওয়া রয়েছে। এসব মানুষের নিরাপত্তার কথা ভেবে চিংড়ি গবেষণার সামনে স্পিড ব্রেকার দেওয়ার দাবি জানান তিনি।

খুলনা গেজেট/ টি আই

 




আরও সংবাদ

খুলনা গেজেটের app পেতে ক্লিক করুন

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।

© 2020 khulnagazette all rights reserved

Developed By: Khulna IT, 01711903692