খুলনা, বাংলাদেশ | ১২ বৈশাখ, ১৪৩১ | ২৫ এপ্রিল, ২০২৪

Breaking News

  রাঙামাটির সাজেকে শ্রমিকবাহী মিনি ট্রাক পাহাড়ের খাদে পড়ে ৯ জন নিহত
কাজের অগ্রগতি ২৫ শতাংশ

 দিঘলিয়ায় মডেল মসজিদ নির্মাণ সাড়ে তিনবছরেও শেষ হয়নি

একরামুল হোসেন লিপু

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার অগ্রাধিকার প্রকল্পের আওতায় ইসলামিক ফাউন্ডেশনের মাধ্যমে ধর্ম মন্ত্রণালয় কর্তৃক প্রতিটি জেলা ও উপজেলায় ১টি করে ৫৬৪ টি মডেল মসজিদ ও ইসলামিক সাংস্কৃতিক কেন্দ্র নির্মাণের উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়।  প্রকল্পের আওতায় খুলনার দিঘলিয়া উপজেলা সদরে ৩১ শতক জায়গার উপর সোয়া ১৩ কোটি টাকা ব্যয়ে একটি মডেল মসজিদ কমপ্লেক্স নির্মাণের স্থান নির্ধারণ করা হয়। ২০১৯ সালের ১৬ জুন খুলনা গণপূর্ত বিভাগ -১ এর নির্বাহী প্রকৌশলী টিচবি-মামুন (জেভি) নামে একটি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানকে কার্যাদেশ প্রদান করে। কাজের মেয়াদ উল্লেখ করা হয় ১৮ মাস। অর্থাৎ কার্যাদেশ অনুযায়ী  ২০২০ সালের ডিসেম্বর মাসে নির্মাণ কাজ শেষ হওয়ার কথা। সেখানে কার্যাদেশ প্রদানের সাড়ে তিন বছরেও নির্মাণ কাজ শেষ হয়নি। সাড়ে তিন বছরে কাজের অগ্রগতি ২৫ শতাংশ। যা খুবই হতাশাজনক। কাজের মেয়াদ চলতি বছরের ৩০ জুন পর্যন্ত বর্ধিত করা হলেও নির্ধারিত সময়ের মধ্যে নির্মাণকাজ সমাপ্তি নিয়ে শঙ্কা রয়েছে।

কাজের এ হতাশাজনক অবস্থা সম্পর্কে জানতে চাওয়া হয়  মডেল মসজিদ নির্মাণ বাস্তবায়নকারী সংস্থা খুলনা গণপূর্ত বিভাগ- ১ এর নির্বাহী প্রকৌশলী অমিত কুমার বিশ্বাসের কাছে।  তিনি খুলনা গেজেটকে বলেন, “জমি অধিগ্রহণে জটিলতার কারণে বেশ সময় ক্ষেপন হয়েছে। বর্তমানে কিছুটা ফান্ডিং সমস্যা রয়েছে। তারপরও আমরা ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানকে কাজের গুণগত মান বজায় রেখে কাজের গতি বাড়াতে প্রতিনিয়ত  তাগিদ দিয়ে যাচ্ছি। চলতি বছরের ডিসেম্বরের মধ্যে নির্মাণ কাজ শেষ হতে পারে।
তিনি জানান, এ প্রকল্পের অধীনে খুলনা গণপূর্ত বিভাগ -১ এর আওতায় অন্য তিনটি উপজেলা রুপসা, তেরখাদা এবং ফুলতলাতেও মডেল মসজিদ নির্মিত হচ্ছে। ইতিমধ্যে রূপসা উপজেলার মডেল মসজিদ নির্মাণকাজ সম্পন্ন হয়েছে। সোমবার (১৬ জানুয়ারি) বেলা ১১ টায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ভার্চুয়ালি দ্বিতীয়পর্বে রূপসা উপজেলার মডেল মসজিদসহ আরো ৫০ টি মডেল মসজিদ ও সাংস্কৃতিক কেন্দ্রের উদ্বোধন করবেন”।
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এর আগে  ২০২১ সালের ১০ জুন প্রথম ধাপে  এ প্রকল্পের  আওতায়  সারাদেশে একযোগে  ৫৬৪ টি ‘র মধ্যে  ৫০ টি মডেল মসজিদের উদ্বোধন করেন।
সারাদেশে এ, বি, সি  তিন ক্যাটাগরিতে এ সকল  মডেল মসজিদ ও ইসলামিক সাংস্কৃতিক কেন্দ্র নির্মিত হচ্ছে। খুলনার চারটি উপজেলাতে মডেল মসজিদ নির্মিত হচ্ছে  বি ক্যাটাগরিতে। বি ক্যাটাগরির মসজিদগুলোর আয়তন হবে  ১ হাজার ৬৮০ দশমিক ১৪০ বর্গমিটার।
মডেল মসজিদ ও ইসলামিক সাংস্কৃতিক কেন্দ্রে নারী ও পুরুষদের পৃথক ওজু ও নামাজ আদায়ের সুবিধা থাকবে। সঙ্গে থাকবে লাইব্রেরী গবেষণা ও দীনি  দাওয়াত কার্যক্রম, পবিত্র কুরআন, হেফজ, শিশুশিক্ষা অতিথিশালা, বিদেশি পর্যটকদের আবাসন, মৃতদেহ গোসলের ব্যবস্থা। থাকবে  হজ্ব যাত্রীদের নিবন্ধন ও প্রশিক্ষণ, ইমাম প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা। এছাড়া ইমাম-মুয়াজ্জিনদের আবাসনসহ সাংস্কৃতিক কেন্দ্রের কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের জন্য থাকবে অফিসের ব্যবস্থা।




আরও সংবাদ

খুলনা গেজেটের app পেতে ক্লিক করুন

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।

© 2020 khulnagazette all rights reserved

Developed By: Khulna IT, 01711903692

Don`t copy text!