খুলনা, বাংলাদেশ | ১৪ ফাল্গুন, ১৪৩০ | ২৭ ফেব্রুয়ারি, ২০২৪

Breaking News

  তিন দিনের সফরে ঢাকায় এসেছেন ভারতের বিমানবাহিনী প্রধান
  ভারতের জনপ্রিয় গজল শিল্পী পঙ্কজ উদাস মারা গেছেন

চুকনগরে সামান্য বৃষ্টিতে শতাধিক পরিবার পানি বন্দী 

ডুমুরিয়া প্রতিনিধি

পানি সরবরাহের কোন ব্যবস্থা না থাকায় খুলনার ডুমুরিয়া উপজেলার চুকনগর বাজারের আবাসিক এলাকার শতাধিক পরিবার সামান্য বৃষ্টিতে পানি বন্দী হয়ে পড়েছে। বর্তমানে ঐ এলাকায় যাওয়া আসার রাস্তার প্রায় হাঁটু পানি। পানি সরবরাহের ব্যবস্থা করা না হলে, বদ্ধ পানিতে দূর্গন্ধের সৃষ্টি হয়ে এলাকায় বসবাসে অনুপযোগী হয়ে পড়বে।
সরজমিনে গিয়ে জানা যায়, মঙ্গলবার (২১ মার্চ) বিকেলে সামান্য বৃষ্টি হয়েছে। কিন্তু পানি সরবরাহের কোন ব্যবস্থা বা ড্রেন না থাকায় সেই বৃষ্টির পানি বুধবার (২২ মার্চ) দুপুরে সরেনি। বর্তমানে আবাসিক এলাকার রাস্তার উপর হাটু পানি। এখানে সাবেক ৪জন আটলিয়া ইউপি চেয়ারম্যান সরদার আব্দুল ওয়াহাব, অধ্যক্ষ এবিএম শফিকুল ইসলাম, সম আব্দুল কাইয়ুম ও শেখ মোঃ বদরুজ্জামান তসলিমের বাড়ি। এছাড়া এখানে মাহাতার হোসেন, আব্দুস ছাকাম ও ওলিয়ার রহমানের মত ব্যবসায়ীরা বসবাস করে। এখানে রয়েছে একটি মাদ্রাসা। মাদ্রাসায় প্রায় ৩শতাধিক ছেলে মেয়ে লেখাপড়া করে। চলাচলের রাস্তার উপর হাঁটু পানি থাকায় বর্তমানে কোমলমতি শিক্ষার্থীরা মাদ্রাসায় আসা যাওয়া করতে পারছে না। রয়েছে কয়েকটি এনজিও প্রতিষ্ঠান ও ব্যবসায়ীদের মালামাল রাখার গোডাউন।
এব্যাপারে সাবেক চেয়ারম্যান, গণহত্যা ৭১ স্মৃতিরক্ষা পরিষদের সভাপতি ও খুলনা জেলা আওয়ামী লীগের সহ সভাপতি অধ্যক্ষ এবিএম শফিকুল ইসলাম বলেন, পানি সরবরাহের কোন ব্যবস্থা না থাকায় সামান্য বৃষ্টি হলেই আমরা এখানে পানি বন্দী হয়ে পড়ি। এখানে বসবাসকারী সুভাষ নন্দী নামে এক ব্যক্তি এলাকার পানি সরবরাহের জায়গায় মাটি ভরাট করে জলাবদ্ধতার সৃষ্টি করেছে। তবে এখানে রাস্তা সহ ড্রেন নির্মানের জন্য ২লাখ ৫০ হাজার টাকা বরাদ্দ দিয়েছে আটলিয়া ইউনিয়ন পরিষদ। কিন্তু কাজ করতে অনেক দেরি হবে। তাই আমাদের দাবি রাস্তাসহ ড্রেন করার ঐ আড়াই লক্ষ টাকার ভ্যাট ট্রাস্ক বাদে বাকি যে টাকা থাকে আমরা এলাকাবাসী তুলে দিচ্ছি। পরে প্রকল্পের টাকা উঠলে সেই টাকা আমাদের দেওয়ার জন্য আমি ইউএনও ও চেয়ারম্যান মহোদয়কে অনুরোধ করেছি।
আটলিয়া ইউপি চেয়ারম্যান শেখ হেলাল উদ্দীন বলেন, আমরা আটলিয়া ইউনিয়ন পরিষদ থেকে আড়াই লাখ টাকা বরাদ্দ দিয়েছি। তবে সাবেক চেয়ারম্যান অধ্যক্ষ এবিএম শফিকুল ইসলামের সাথে আলোচনা করে কাজ শুরু করবো। তা না হলে জলাবদ্ধতার কারণে অল্পদিনের মধ্যে ঐ এলাকায় বসবাস করা অনুপযোগী হয়ে পড়বে।
খুলনা গেজেট/কেডি




আরও সংবাদ

খুলনা গেজেটের app পেতে ক্লিক করুন

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।

© 2020 khulnagazette all rights reserved

Developed By: Khulna IT, 01711903692

Don`t copy text!