খুলনা, বাংলাদেশ | ২১ আষাঢ়, ১৪২৯ | ৫ জুলাই, ২০২২

Breaking News

  কুমিল্লা সিটি করপোরেশনের নবনির্বাচিত মেয়র আরফানুল হক রিফাত শপথ নিয়েছেন
  পিকে হালদারকে আরও ১৫ দিনের জেল হেফাজতে পাঠিয়েছেন কলকাতার স্পেশাল সিবিআই কোর্ট-৩
  গত ২৪ ঘণ্টায় বিশ্বে ৭০২ জনের মৃত্যু হয়েছে ও নতুন করে এ ভাইরাসে আক্রান্ত হিসেবে শনাক্ত হয়েছেন ৩ লাখ ২৯ হাজার ৬৬ জন

রোহিঙ্গা ক্যাম্পে দগ্ধ পিতা-পুত্রসহ তিন জনের মৃত্যু

গেজেট ডেস্ক

কক্সবাজারের উখিয়ার কুতুপালং ক্যাম্পে গ্যাস সিলিন্ডার বিস্ফোরণের ঘটনায় দগ্ধ পিতা-পুত্রসহ তিনজন দুর্ঘটনার ৬ দিনের মাথায় মারা গেছেন

গত ১২ মে ক্যাম্প-১ ডি/৪ ব্লকে নুরুল আলমের ঘরে এ গ্যাস সিলিন্ডার বিস্ফোরণ হয়। এরপর হতে চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ (চমেক) হাসপাতালের বার্ন ইউনিটে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মঙ্গলবার (১৭ মে) দুপুর ও সন্ধ্যায় তারা মারা যান বলে জানিয়েছেন ক্যাম্পে নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা এপিবিএন-১৪ এর অধিনায়ক (এসপি) নাইমুল হক নাইম।

নিহতরা হলেন- ক্যাম্প-১ ডি/৪ ব্লকের আজগর আলীর ছেলে নুরুল আলম (৫৯), তার ছেলে আনোয়ার কামাল (১২) ও ক্যাম্প ১/ইস্ট, ব্লক ডি/৪’র আলী আহমেদের ছেলে হাফিজুল মোস্তফা (৭)।

১৪ আমর্ড পুলিশ ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক নাইমুল হক জানান, গেল ১২মে কুতুপালং ক্যাম্প-১ ডি/৪ ব্লকে নুরুল আলমের ঘরে গ্যাসের সিলিন্ডার বিস্ফোরণ হয়। তার স্ত্রী চুলায় রান্না বসাতে গেলে চুলার পাইপে আগুন ধরে সিলিন্ডার বিস্ফোরিত হয়। তাতে ঘরে ও আশপাশে থাকা ছয়জন দগ্ধ হন।

তাদের কক্সবাজার সদর হাসপাতাল ও পরে চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। সেখানে বার্ন ইউনিটে তারা সবাই চিকিৎসাধীন ছিলেন। এ অবস্থায় দুপুরে বাবা নুরুল আলম, বিকেলে ছেলে আনোয়ার সন্ধ্যায় অপরজন মারা যায় বলে জানানো হয়।

ক্যাম্প ১/ইস্ট, ব্লক ডি/৪ এর হেড মাঝি তৈয়ব জানান, উখিয়ার কুতুপালং ক্যাম্পে ১২ মে সকালে ক্যাম্প ১/ইস্ট এর ব্লক-ডি ৪ এ রোহিঙ্গা নুর আলমের ঘরে গ্যাসের চুলার আগুনে দগ্ধ হন নারী শিশুসহ ৬ জন রোহিঙ্গা। সকালে নুরুল আলমের স্ত্রী রান্নার জন্য গ্যাসের চুলা জ্বালানোর চেষ্টা করেন। চুলার সমস্যার কারণে তাতে আগুন জ্বলছিল না।

গ্যাস সিলিন্ডার চালু রেখেই দিয়াশলাইয়ের কাঠি দিয়ে আগুন জ্বালানোর চেষ্টা করেন।

এতে আগে থেকে চালু থাকা গ্যাস রান্নাঘরে ঘনীভূত থাকার ফলে দিয়াশলাইয়ের কাঠি জ্বালানোর সঙ্গে সঙ্গে পুরো রান্নাঘরে আগুন লেগে যায়।

এরপর দ্বগ্ধ সবাইকে ক্যাম্পে এনজিও হাসপাতালে ও কক্সবাজার সদর হাসপাতালে চিকিৎসা দেয়া হয়। অবস্থার অবনতি হওয়ায় তাদের সবাইকে চমেক হাসপাতালে পাঠানো হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মঙ্গলবার কয়েক ঘণ্টার ব্যবধানে পিতাপুত্রসহ তিনজন মারা যান।




আরও সংবাদ

খুলনা গেজেটের app পেতে ক্লিক করুন

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।

© 2020 khulnagazette all rights reserved

Developed By: Khulna IT, 01711903692